মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের দাবি জানিয়ে স্পিকারকে চিঠি শুভেন্দুর

আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান ব্যনার্জিকে চিঠি দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দ্রুত মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ করতে হবে। এই আবেদনে চিঠি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দলত্যাগ বিরোধী আইন মেনে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের আর্জি জানিয়েই চিঠিটি দেওয়া হয়েছে বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান ব্যানার্জিকে, এমনটাই জানালেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রসঙ্গত, কৃষ্ণনগর উত্তর থেকে বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়ে বিধায়ক হন মুকুল রায়। কিন্তু দলবদলে মুকুল রায় এখন তৃণমূলে। আর এই পরিস্থিতিতে মুকুল রায় নিজে থেকে এখনও বিধায়ক পদে ইস্তফা দেননি। আর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মরিয়া হয়ে উঠেছেন মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ নিয়ে। মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সংক্রান্ত চিঠি নিয়ে গতকাল বিধানসভায় অধ্যক্ষের কাছে জমা দিতে গেলেও তা সম্পন্ন করা যায়নি। কারণ বিধানসভা সচিবালয়ের চিঠিপত্র জমা নেওয়ার দপ্তর ছিল বন্ধ। এ প্রসঙ্গে গতকাল শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, আজ আবার বিধানসভায় যদি দপ্তর বন্ধ থাকে সেক্ষেত্রে ই-‌মেল করে ওই চিঠি স্পিকারের কাছে পাঠিয়ে দেব। তাতেও যদি কাজ না হয় তাহলে আদালতের দারস্থ হতে হবে। 
বিধানসভার সচিবালয়ের কর্মীদের কথায়, এই ধরণের জিনিস আগে তো বিধানসভায় হয়নি। এ-‌মেল মারফৎ যে চিঠি পাঠানোর কথা বলছেন তা গ্রহণ হবে কিনা জানা নেই। এটা স্পিকারের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। উনি ই-‌মেল গ্রহণ করবেন কিনা সে বিষয়ে প্রশ্ন থাকছেই। 
প্রসঙ্গত, রাজ্য বিজেপির অন্যান্য নেতারা খুব একটা মাথা ঘামাচ্ছেন না মুকুল রায় প্রসঙ্গে। মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ নিয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন না বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, মুকুল রায় দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করছেন। যথেষ্ট বিবেচক উনি। মুকুল রায়ের উচিত নিজে থেকেই বিধায়ক পদ ছেড়ে দেওয়া।’‌ শুভেন্দু অধিকারীর মতো নাছোড় মনোভাব দেখাচ্ছেন না রাজ্য বিজেপির অন্যান্য নেতারা। বিজেপির একটি বড় অংশের মত, মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ হয়ে গেলে কৃষ্ণনগর উত্তরে ফের উপনির্বাচন হবে। সেক্ষেত্রে যদি বিজেপি তৃণমূলের কাছে হেরে যায় তাতে বিজেপির মুখ পুড়বে। তাই রাজ্য বিজেপি নেতারা আপাতত ধীরে চলো নীতিতেই বিশ্বাসী।