নীলরতন কুণ্ডু, হুগলি: একবার–দু’‌বার নয়, মোট ১১৭ বার রক্ত দিয়ে নজির গড়লেন চন্দননগর বউবাজার খলিসানির বাসিন্দা প্রশান্ত দাস (৪৮)। সম্প্রতি সিএবি–র ৯২তম জন্মদিনে এবং ৪০তম ফ্রাঙ্ক ওরেল দিবস উপলক্ষে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে ডাঃ বি সি রায় ক্লাব হাউসে আয়োজিত স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরে রক্ত দেন প্রশান্তবাবু। ফিরে এসে জানান, এই নিয়ে ১১৭ বার হল। ইতিমধ্যে ২ বার রাজ্যপালের হাত থেকে সেবা পদক পেয়েছেন। পেয়েছেন ইন্দিরা গান্ধী এক্সেলেন্সি অ্যাওয়ার্ডও। পশ্চিমবঙ্গ ব্লাড ডোনার্স অ্যাসোসিয়েশন–সহ বিভিন্ন সংস্থার দেওয়া শংসাপত্র ও স্মারক তো রয়েছেই। চন্দননগর খলিসানি সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির ম্যানেজার প্রশান্তবাবুর বাবা–মা প্রয়াত। অবিবাহিত দিদি অসীমার সঙ্গে থাকেন। তাঁর কথায়, ‘‌তাঁর রক্তে যদি কারও উপকার হয়, তার থেকে আনন্দের কী–ই বা হতে পারে। ২০০২ সালে ৫৮ বার রক্তদান করার পর সেন্ট জন অ্যাম্বুল্যান্স দিল্লি থেকে সেবা পদকের জন্যে আমায় নির্বাচিত করে। সেবা পদক হিসেবে আমার হাতে শংসাপত্র ও ব্রোঞ্জের একটি গান্ধীমূর্তি তুলে দেন রাজ্যপাল বীরেন জে শাহ। ২০০৫–এ ৬৪ বার রক্তদানের পর দিল্লি থেকে গডফ্রে ফিলিপ্‌স ব্রেভেরি অ্যাওয়ার্ডসের জন্য নির্বাচিত হই। সেবার স্বর্ণপদক ও শংসাপত্র দেন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধী। ২০১৩ সালে ৯২ বার রক্তদানের পর দিল্লি থেকে ইন্দিরা গান্ধী এক্সেলেন্সি অ্যাওয়ার্ড পাই। এখন আমার লক্ষ্য, দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা ‘‌পদ্মশ্রী’‌ পাওয়ার। তাই রক্তদান চলছে। চলবে।’‌  

জনপ্রিয়

Back To Top