গিরিশ মজুমদার
শিলিগুড়ি, ২৫ সেপ্টেম্বর

অনুমোদন ছাড়া যাঁরা কয়েকবছর ধরে পুজো করছেন, তাঁদেরও সহযোগিতা করবে প্রশাসন। মহিলা পরিচালিত পুজো কিংবা কয়েকবছর ধরে করা পুজোর অনুমোদন না মিললেও প্রশাসনিকভাবে কোনও সমস্যা তৈরি করা যাবে না। শুক্রবার শিলিগুড়িতে পুজো কমিটিগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে একথাই জানান পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব। তিনি বলেন, ‘‌কয়েকবছর ধরে মহিলারা উদ্যোগ নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় পুজো করে আসছেন। তাঁদের এমন উদ্যোগ সাধুবাদ যোগ্য। তাঁদের পুজোর অনুমোদন দেওয়া যায় কিনা, তা প্রশাসন ভেবে দেখবে। তবে অনুমোদন না থাকলেও তাঁদের দুশ্চিন্তার কিছু নেই। প্রশাসন তাঁদের সাহায্য করবে।’‌
শুক্রবার মৈনাক ট্যুরিস্ট লজে বিভিন্ন পুজো কমিটিকে নিয়ে ওই বৈঠক হয়। সেখানে ডাবগ্রাম–‌ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকার চারটি অঞ্চলের ২০টি পুজো কমিটি ছিল। এছাড়া এই বিধানসভা কেন্দ্রের শিলিগুড়ি পুরনিগম এলাকার ১৪টি ওয়ার্ডের ৪৬টি পুজো কমিটির কর্তারাও বৈঠকে ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে পুজোর নতুন নিয়মাবলি নিয়ে আলোচনা হয়। পুজো কমিটির কর্মকর্তারা তাঁদের নানা সমস্যা ও প্রস্তাবের কথাও তুলে ধরেন। অনেকে নতুন পুজোর অনুমোদনের প্রসঙ্গ তোলেন। ৬৬টি পুজো কমিটির কোনওটি ১০ বছর, ৮ বছর আবার কোনওটি ৫ বছর ধরে পুজো করে আসছে। এদের মধ্যে বেশিরভাগই মহিলা গোষ্ঠীর পুজো। 
মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি প্রত্যেকটি পুজো কমিটিকে ৫০ হাজার টাকা করে সরকারি সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছেন। সেইসঙ্গে পঞ্চাশ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল ও কর ছাড়ের কথাও ঘোষণা করেছেন। এই ঘোষণায় প্রত্যন্ত এলাকার পুজো উদ্যোক্তারাও আনন্দিত। তাঁরা মনে করছেন, অনেকেই আর্থিক কারণে পুজো নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন। এবার সেই দুশ্চিন্তা থাকবে না। পর্যটনমন্ত্রী বলেন, ‘‌অনেকে নিজেদের উদ্যোগে পুজো করে থাকেন। তাঁরা নিয়ম মেনে আবেদন করলে অনুমোদন দেওয়ার চেষ্টা হবে। স্থানীয়ভাবে যেন কোনও সমস্যা না হয়, সে ব্যাপারেও আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব।’‌

জনপ্রিয়

Back To Top