আজকালের প্রতিবেদন
পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে রাজ্যের পুরসভা ও পুরনিগমগুলিতে শুরু হল ‘‌ডেঙ্গি বিজয় অভিযান’‌। রবিবার কলকাতার চেতলায় এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী তথা পুরসভার প্রধান প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। বিধাননগরে নেতৃত্ব দেন মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী। মশা ঠেকাতে নবদিগন্ত শিল্পনগরীতে বসল ‘‌ট্র্যাকার’‌। 
এদিন ডেঙ্গি বিজয় অভিযান শুরুর পর ফিরহাদ হাকিম চেতলায় নিজের ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন, বেলচা দিয়ে আবর্জনাও সাফ করেন। তিনি বলেন, টিকা আবিষ্কার হলে করোনা নির্মূল হয়ে যেতে পারে, কিন্তু ডেঙ্গি নির্মূল করতে হলে সচেতনতাই পথ। মানুষ যত বেশি সচেতন হবেন, ততই উপকার। নিজেরা সচেতন হলেই সম্ভব হবে ডেঙ্গিমুক্ত শহর, রাজ্য গড়ে তোলা। জানা গেছে, নভেম্বর পর্যন্ত ১৫ দিন অন্তর এই অভিযান চালাতে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর রাজ্যের প্রতিটি পুরসভা, পুরনিগমকে চিঠি পাঠিয়েছে। চেতলায় একটি উন্মুক্ত জিমেরও উদ্বোধন করেন ফিরহাদ হাকিম।
রবিবার সকালে মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তীর নেতৃত্বে করুণাময়ী সংলগ্ন বিদ্যুৎ ভবনের সামনে শুরু হয় কর্মসূচি। থানা, উন্নয়ন ভবন, ময়ূখ ভবন, পূর্ত ভবন লাগোয়া এলাকা–সহ নিজের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ঘুরে অভিযান চালান। বিশেষ অভিযানে ছড়ানো হল মশা মারার ওষুধ, ব্লিচিং। কাটা হল আগাছার জঙ্গল। কৃষ্ণা চক্রবর্তী বলেন, ‘‌করোনার পাশাপাশি ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণের কর্মসূচিতেও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার। তবে বিধাননগরে সারা বছর ধরে মশা নিয়ন্ত্রণের কর্মসূচি চলে।’‌ নবদিগন্তে অভিযান কর্মসূচির সূচনা করেন নবদিগন্তের চেয়ারম্যান দেবাশিস সেন। ছিলেন নির্বাহী আধিকারিক বি এন কর, বোর্ড সদস্য কল্যাণ কর প্রমুখ। নবদিগন্ত ভবনের পেছনে ‌বসেছে স্মার্ট মশকুইটো ট্র্যাকার ‘‌মশকিট’‌। এর মাধ্যমে মশার গতিবিধি, চরিত্র–‌সহ যাবতীয় তথ্য পাওয়া যাবে। ড্রোন উড়িয়ে কোনও বহুতলের ছাদে জল, কোথাও আবর্জনা জমে আছে কি না দেখা হয়। ‌

জনপ্রিয়

Back To Top