আজকালের প্রতিবেদন
কন্টেনমেন্ট জোনগুলিতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দ্বিতীয় দিনেও কড়া মনোভাব পুলিশের। কলকাতা–সহ বিভিন্ন জেলার যে যে এলাকায় কন্টেনমেন্ট জোন রয়েছে, সেগুলিকে কঠোর বেষ্টনীতে ঘিরে রাখা হয়েছে। ঢোকা, বের হওয়ায় ছিল অনুশাসন। প্রতিটি এলাকায় পুলিশ গিয়ে এলাকাবাসীদের খোঁজ নিয়েছে। কী অসুবিধা হচ্ছে জেনে তার প্রতিকারের ব্যবস্থা করেছে। পাশাপাশি মাস্ক পরে বের না হলে তৎক্ষণাৎ বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন কয়েকটি এলাকা কন্টেনমন্ট জোনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সেগুলিতেও কড়া নজরদারি চলে। কলকাতার কয়েকটি বাজারে শনিবার স্যানিটাইজ করা হয়। পাশাপাশি রবিবারের বাজারে জনসমাগম যাতে কম থাকে তার জন্য মাইকে চলে প্রচার। বলা হয়, সামাজিক দূরত্ব বজায় না থাকলে সংক্রমণ এড়ানো যাবে না।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা থেকে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা–সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার কন্টেনমেন্ট জোনগুলিকে বাকি এলাকাগুলি থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে ফেলে পুলিশ, প্রশাসন। লোহার গার্ড রেল, বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড করা হয়। সংক্রমণ এড়াতে ওই এলাকার লোকজনের বাইরে বের হওয়ায় কড়া নজরদারি শুরু হয়। শনিবারও তার অন্যথা হয়নি। তারই মধ্যে অনেকে নিয়মের বেড়া ভেঙে বের হওয়ার চেষ্টা করেছেন। সফল হতে পারেননি।
কলকাতা–সহ বিভিন্ন জেলায় কন্টেনমেন্ট জোনের বাসিন্দা, পুলিশ, পুর বা স্থানীয় প্রতিনিধিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি হয়েছে। খাবার, বাজার, ওষুধ–সহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের কথা সেই গ্রুপে পোস্ট করলে তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। পাশাপাশি এদিনও বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে সতর্কীকরণ প্রচার চালিয়েছে পুলিশ। কেন এই অনুশাসন, সংক্রমণ এড়াতে কী কী করণীয় তা বলা হয়। তারই মধ্যে বিভিন্ন যুক্তি দেখিয়ে কন্টেনমেন্ট জোনে থাকা কিছু মানুষ বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পুলিশ কারণ জেনে তাঁদের বাড়ি ফেরত পাঠিয়ে দেয়।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top