আজকালের প্রতিবেদন: বিভিন্ন ধরনের হাসপাতালের পরিকাঠামো অনুযায়ী মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করল স্বাস্থ্য দপ্তর। যে হাসপাতালের যে ধরনের পদে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট প্রয়োজন, সেই অনুযায়ী নিয়োজিত করা হবে। মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের মধ্যে ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ান (‌ল্যাব)‌, রেডিও ডায়াগনসিস (‌আরডি)‌ ও ইসিজি টেকনিশিয়ানরা নিয়মিত পরিষেবা দিচ্ছেন নির্দিষ্ট কোনও ইউনিটের অধীনে। কোন কোন জেলায় কোন ধরনের পরিকাঠামোযুক্ত হাসপাতালের মেডিক্যাল টেকনিশিয়ানদের স্ট্যাটাস অনুযায়ী অনুমোদিত পদ প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য দপ্তর। সেই অনুযায়ী কোন হাসপাতালে কোন ধরনের মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট প্রয়োজন তার বিস্তারিত তালিকা সমস্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জেলা হাসপাতালের সুপার, জেলার মু্খ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের স্বাস্থ্য ভবনে পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে স্বাস্থ্য দপ্তরের দেওয়া মেল আইডি–তে তা পাঠাতে হবে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষদের। এই মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টরা হাসপাতালে নির্দিষ্ট কোনও ইউনিটের অধীনে নয় পরিকাঠামো অনুযায়ী তাদের পৃথক পদে নিয়োগ করা হবে। করোনা পরিস্থিতিতে হাসপাতালের পরিষেবা বাড়াতে এবং টেস্টের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে ল্যাবটেকনিশিয়ানদের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, তা আগেই জানিয়েছেন স্বাস্থ্যকর্তারা। সম্প্রতি মন্ত্রিসভার বৈঠকেও সিদ্ধান্ত হয়েছে রাজ্যে আরও মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট নিয়োগ করা হবে।
স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত বিভিন্ন ক্যাটাগরিভিত্তিক তালিকায় পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, রামপুরহাট, কোচবিহার, দক্ষিণ দিনাজপুর, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, বসিরহাট, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ডায়মন্ড হারবার, পূর্ব মেদিনীপুর, নন্দীগ্রাম, বাঁকুড়া, মালদা, বিষ্ণুপুর, উত্তর দিনাজপুর, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, দার্জিলিং, কালিম্পং, কলকাতা ও হুগলির নাম রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি স্বাস্থ্য জেলাও রয়েছে। মেডিক্যাল কলেজ, ব্লাড ব্যাঙ্ক, ট্রমা কেয়ার সেন্টার, সুপারস্পেশ্যালিটি, গ্রামীণ, জেলা, স্টেট জেনারেল, মহকুমা হাসপাতাল, ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র, প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রভৃতি পরিকাঠামোয় কোথায় কত শয্যাসংখ্যা রয়েছে সেই অনুযায়ী মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের অনুমোদিত পদের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। সেই তালিকা অনুযায়ী অবিলম্বে নিয়োগ করবে স্বাস্থ্য দপ্তর। এর ফলে অনেক জায়গাতেই ঘাটতি দূর হবে। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের প্রবীণ নেতা মনোজ চক্রবর্তী।‌

জনপ্রিয়

Back To Top