আজকালের প্রতিবেদন: রাজ্যে মাস্ক ও স্যানিটাইজারের কালোবাজারি রুখতে এবার মজুত নিয়ন্ত্রণে কড়া পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। খুচরো ব্যবসায়ী, স্টকিস্ট বা ডিস্ট্রিবিউটর সর্বোচ্চ কতটা পরিমাণে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার মজুত রাখতে পারবেন, সে বিষয়ে নির্দেশনামা জারি করেছে স্বাস্থ্য দপ্তর। কোম্পানিগুলি উৎপাদন কতটা করবে, তা নিয়ে নির্দিষ্ট কোনও পরিমাণ নেই। ৩০ জুন পর্যন্ত এই নির্দেশ বহাল থাকবে বলে উল্লেখ রয়েছে নির্দেশনামায়। মাস্কের মধ্যে রয়েছে টু প্লাই, থ্রি প্লাই সার্জিক্যাল মাস্ক, এন৯৫ মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার। সব ক্রেতাই যাতে এই অত্যাবশ্যকীয় পণ্যগুলি পেতে পারেন, সে জন্য সর্বোচ্চ পরিমাণ বেঁধে দিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর। সকল খুচরো ব্যবসায়ীর কাছে যাতে ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছ থেকে সরবরাহ হয়, সে জন্য তাঁদের ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ পরিমাণ বেঁধে দেওয়া হল।
কেন্দ্রীয় সরকার মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে। নোভেল করোনা ভাইরাস সংক্রমণের জেরে নিজেদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় রাজ্যে মাস্ক, স্যানিটাইজার সকলেই কিনতে শুরু করেন। লকডাউনের আগে থেকেই বাজারে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের আকাল শুরু হয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে ক্রেতারা বেশি করে কিনছেন, আবার কখনও এমনও হয়েছে, বিক্রেতারা দোকানে বেশি করে মজুত করছেন, বেশি দামে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ ওঠে। গরিব মানুষের পক্ষে কেনা সম্ভব হচ্ছিল না। বিভিন্ন জায়গায় ইবি হানা দিয়ে বেআইনিভাবে মজুত করা অনেক মাস্ক ও স্যানিটাইজার উদ্ধারও করেছে। কোভিড ১৯–কে অতিমারি ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। সংক্রমণ থেকে বাঁচতে এই পণ্যগুলি জরুরি।‌

জনপ্রিয়

Back To Top