সোহম সেনগুপ্ত ও নিরুপম সাহা
বারাসত ও হাবড়া, ২৪ সেপ্টেম্বর

হাবড়ার দম্পতি খুনের নয়া মোড়। সম্পত্তির লোভে সুপারি কিলার দিয়ে শ্বশুর–শাশুড়িকে খুন করিয়েছিল জামাই। অবশেষে জামাই ও তার সুপারি কিলার বন্ধুকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। বুধবার রাতে হাবড়ার বাড়ি থেকে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার তাদের বারাসত আদালতে তোলা হলে, বিচারক পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।
১৫ সেপ্টেম্বর রাতে হাবড়ার টুনিঘাটা এলাকার বাসিন্দা রামকৃষ্ণ মণ্ডল এবং তাঁর স্ত্রী লীলারানি মণ্ডলকে গুলি করে খুন করা হয়। ঘটনার পর তন্ময় বর নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে, এই খুনের পেছনে অন্য কারও হাত আছে। শুরু হয় তদন্ত। জানা যায় রামকৃষ্ণবাবুর ছোট জামাই বান্টি সাঁধুর ্বাজারে প্রচুর টাকা দেনা হয়ে আছে। সেই দেনা শোধ করতে শ্বশুরের কাছে টাকা চায়। না পেয়ে সে শ্বশুর–শাশুড়িকে খুনের পরিকল্পনা করে। জানে, খুন করলেই শ্বশুর–শাশুড়ির সব সম্পত্তি তাঁদের মেয়ে অর্থাৎ বান্টির স্ত্রীর হয়ে যাবে। সেই ভাবনা থেকে সুপারি কিলার হিসেবে বন্ধু অজয় দাসের সঙ্গে ১০ লাখ টাকার চুক্তি করে বান্টি। সম্প্রতি এক ব্যক্তির কাছে বান্টি আগ্নেয়াস্ত্র কিনতে গিয়েছিল বলেও জানতে পেরেছে পুলিশ। 
এদিন পুলিশ সুপার অভিজিৎ ব্যানার্জি জানান, বান্টি তার বন্ধু অজয়কে দশ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই দম্পতিতে খুন করার জন্য ভাড়া করে। বান্টির বাজারে সাত থেকে আট লক্ষ টাকা দেনা আছে। তা শোধ করার জন্য শ্বশুরের কাছে টাকা চায়। না পেয়েই বন্ধুকে দিয়ে এই খুনের পরিকল্পনা।                  

জনপ্রিয়

Back To Top