অলক সরকার ও সঞ্জয় বিশ্বাস
শিলিগুড়ি ও দার্জিলিং, ২৯ জুন

বাংলায় বর্ষা পা রাখতে না রাখতেই দার্জিলিং পাহাড়ের চৌরাস্তার নীচে মূলদারায় ধস নেমেছিল। তবে একটি বাড়ি ছাড়া তেমন কিছু ক্ষতি হয়নি। কিন্তু সোমবারের পাহাড়ি ধস ভয়ঙ্কর। দার্জিলিঙের তিনধারিয়া লোকোশেড লাগোয়া পাগলাঝোরায় ৫৫ নম্বর জাতীয় সড়কই গায়েব। প্রবল ধসে পাগলাঝোরায় দার্জিলিংগামী ৫৫ নম্বর জাতীয় সড়ক বিচ্ছিন্ন। অন্যদিকে রিম্বিক–‌‌লোধামার রাস্তায় ‌রবিবার থেকেই ধস নামতে শুরু করে। সেখানেও সদ্য নির্মিত রাস্তা পুরো নষ্ট হয়ে গেছে। এমন বিপর্যয় দেখে বিনয় তামাং দলীয় কর্মীদের নিয়ে দুর্যোগ মোকাবিলা টিম গড়ছেন।
২০১১ সালে ভূমিকম্পের জন্য তিনধারিয়ায় ধস নামে। তখন বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছিল জাতীয় সড়ক থেকে রেললাইন। এরপর নানা কারণে ক্রমাগত ধসের জেরে প্রায় ৫ বছর সেই রাস্তায় না ট্রেন চলেছে, না গাড়িঘোড়া। একইভাবে বিচ্ছিন্ন হয়েছিল পাগলাঝোরাও। অন্যদিকে ১৯৮০–৮১ সালে লোধামায় বড় আকারে ধস নেমেছিল। তারপর বড় ধসের ঘটনা ঘটেছিল ২০১৫ সালে মিরিকের টিমলিঙে। কিন্তু ধীরে ধীরে সেই এলাকা ছন্দে ফেরে। প্রচুর আর্থিক বরাদ্দ করে বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলিকে সংযোগ করলেও এবার পুনরায় ধস নামায় অনেকটা আগের মতোই পরিস্থিতি তৈরি হল। যদিও শিলিগুড়ি থেকে এখন রোহিণী রুট ধরে দার্জিলিং যাওয়া যায়। তবে তিনধারিয়া, পাগলাঝোরা–সহ ওই এলাকার প্রচুর মানুষকে ফের সমস্যায় পড়তে হবে বলে জানান স্থানীয় রম্বা শেরপা, রনি থাপা, সুরজ ছেত্রিরা। তাঁদের আশঙ্কা, এখনই এমন অবস্থা হলে বাকি বর্ষাকাল আরও ভোগাবে।

জনপ্রিয়

Back To Top