আজকালের প্রতিবেদন: অতিমারীর মধ্যেও রাজ্যের উন্নয়ন থমকে নেই। চলতি অর্থবর্ষে পরিকাঠামো উন্নয়নে ২০ হাজার ৬০০ কোটি টাকার কাজ চলছে। ক্ষুদ্র সেচের জন্য বিশ্ব ব্যাঙ্কের ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা প্রকল্পের কাজ শুরু হতে চলেছে। এছাড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, খাল কাটা এবং সংস্কার, রাস্তা তৈরির জন্য ৭৮৪ কোটি টাকার কাজ শুরু হয়েছে।
বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নবান্নে বলেন, ‘‌১ লক্ষ ২৫ হাজার হেক্টর জমিকে সেচের আওতায় নিয়ে আসার জন্য পনেরোশো কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হল।’‌ এদিনের রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ ব্যাপারে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা বলেন, ‘‌আমরা উন্নয়নের কাজ করে চলেছি। উন্নয়নের জন্য মোট ২২ হাজার ৩৮৪ কোটি টাকার কাজ চলছে।’‌
কৃষিতে বিশেষ জোর দিয়েছে রাজ্য সরকার। কী করে কৃষকদের আয় আরও বাড়ানো যায়, সে ব্যাপারে তৎপর হয়েছে। যেসব জেলার জমি অনুর্বর, সেখানে ক্ষুদ্র সেচের ওপর আরও জোর দেওয়া হচ্ছে যাতে কৃষিকাজ সহজে করা যায়। কৃষকদের বিকল্প চাষে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। নবান্ন সূত্রে খবর, পশ্চিমাঞ্চলের ৬টি জেলা, সুন্দরবন এবং পাহাড়ের চাষের জমি ক্ষুদ্র সেচের আওতায় আনতে ১৫০০ কোটি খরচ করা হবে। মূলত রবিশস্যের ফলন আরও বাড়াতে এই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। টিউবওয়েল বসানো, চেকড্যাম তৈরি করা, খাল কাটা, জল ধরার ব্যবস্থা করে রুক্ষ জমিতে ফসল ফলানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের এটি দ্বিতীয় পর্যায়। প্রথম পর্যায় শুরু হয়েছিল ৮ বছর আগে। অর্থাৎ ২০১২ সালে। ওই প্রকল্পের মধ্যে পশ্চিমাঞ্চলের ৭৫ হাজার হেক্টর জমিকে ক্ষুদ্র সেচের আওতায় আনা হয়েছিল। এর জন্য খরচ হয়েছিল ১ হাজার ৯০ কোটি টাকা। তাতে সুফল মিলেছে। বাকি জেলাগুলি যেখানে ধানের চাষ খুব ভাল হয়, সেখানে জল অপচয় আটকাতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যাতে আরও বেশি জমিকে সেচের আওতায় আনা যায়।

জনপ্রিয়

Back To Top