আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ সোমবার নন্দীগ্রামে সভা করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সেখানেই ডাক পেলেন না অধিকারী পরিবারের দুই সদস্য— শিশির এবং পুত্র দিব্যেন্দু। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমনটা হওয়ারই ছিল। আঁচ করেছিলেন হয়তো অধিকারী পরিবারও। 
শুভেন্দু অধিকারীর প্রাক্তন বিধানসভা কেন্দ্র। অধিকারী পরিবারের গড় বলে পরিচিত ছিল এই নন্দীগ্রাম। শুভেন্দু বিজেপি–তে যোগদানের পর এই প্রথম সেখানে সভা করছেন মমতা।
প্রায় ১০ বছর এই পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা সভাপতি ছিলেন শুভেন্দুর বাবা শিশির অধিকারী। ১৩ জানুয়ারি তাঁকে সরিয়ে ওই পদে বসানো হয়েছে মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্রকে। আর শিশিরবাবুকে প্রায় গুরুত্বহীন জেলা চেয়ারম্যানের পদে বসানো হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই তাতে ক্ষুণ্ণ হয়েছেন কাঁথির সাংসদ। খবর, সে কারণেই যাচ্ছেন না সভায়। যাচ্ছেন না ছেলে দিব্যেন্দুও। তিনি তমলুকের সাংসদ।
অধিকারী পরিবারের এক ঘনিষ্ঠ জানিয়েছেন, বাবা–ছেলেকে তৃণমূলের তরফে আমন্ত্রণও জানানো হয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, তৃণমূলের তরফে জেনেবুঝেই এসব করা হয়েছে। কারণ শীর্ষ নেতৃত্ব মমতার সভা থেকে শিশির এবং দিব্যেন্দুকে দূরে রাখতে চেয়েছিল। ইদানীং দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন শিশির। মমতার সভায় সেটাই করলে বিপাকে পড়তে হবে তৃণমূলকে। তবে শীর্ষ নেতৃত্ব অধিকারী পরিবারের এই দুই সদস্যের সঙ্গে বিবাদ এড়িয়ে যেতে চাইছে বলেও খবর। 
তবে এই নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাননি জেলা নেতৃত্ব। সদ্য নিযুক্ত জেলা সভাপতি সৌমেন মহাপাত্র বলেন, শিশিরবাবু তাঁদের চেয়ারম্যান। তাঁর নেতৃত্বেই সব হচ্ছে। তাঁকে আলাদাভাবে আমন্ত্রণ জানানোর কী আছে?‌ 

জনপ্রিয়

Back To Top