আজকালের প্রতিবেদন- পঞ্চায়েত ভোটের আগে থেকে কাজের প্রচণ্ড চাপ ছিল। সোমবার ভোটের দিন সারাক্ষণ কাজে ব্যস্ত ছিলেন জগদ্দলের সাব ইনস্পেক্টর অরিন্দম কুণ্ডু (৩৮)। সমস্ত কাজ শেষ করে ফিরে জগদ্দল থানার ব্যারাকে আচমকা গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে বসেন ওই অল্পবয়সি পুলিস অফিসার অরিন্দম। তাঁর মৃত্যুকে ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী হয়েছেন অরিন্দম। আবার পুলিসের দাবি, পারিবারিক অশান্তির জেরেই আত্মহত্যা করেছেন তিনি। ব্যারাকপুরের ডিসি (‌জোন–১)‌ কে কান্নান অবশ্য জানান, পারিবারিক অশান্তি চলছিল অরিন্দমের। আর এই কারণেই যে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন, তার যথেষ্ট প্রমাণ আছে পুলিসের হাতে।
অরিন্দম দমদম নাগেরবাজারে ফ্ল্যাট নিয়েছেন। সেখানে তাঁর স্ত্রী সুমনা ৫ বছর ও ৩ বছরের দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে থাকেন। কোনও কারণে স্ত্রীর সঙ্গে অরিন্দমের অশান্তি চলছিল। অরিন্দম সুমনার কাছ থেকে মুক্তি পেতে চেয়েছিলেন, তা তাঁর ফেসবুক থেকে জানা যায়। কিন্তু কেন? তা খতিয়ে দেখছে পুলিস। যদিও অরিন্দমের পরিবার এই অভিযোগ মানতে নারাজ। তাঁদের দাবি, অরিন্দমের মৃত্যুর সঠিক তদন্ত হোক। তা হলেই আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে।
অরিন্দমের আত্মহত্যার কারণ যাই হোক না কেন, অরিন্দমের মতো সম্ভবনাময় পুলিস অফিসারকে হারাল পুলিসবাহিনী। সুমনা তাঁর ২ শিশু সন্তানকে নিয়ে কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। শিশু দুটিকে জড়িয়ে ধরে শুধু কেঁদেই চলেছেন তিনি।

এসআই অরিন্দম কুণ্ডু।

জনপ্রিয়

Back To Top