আজকাল ওয়েবডেস্ক: ‌শান্তিপুর বিষমদ কাণ্ডে গ্রেপ্তার মূল অভিযুক্ত। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে পুলিস চৌধুরিপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করে বিষমদের কিং পিন গণেশ হালদারকে। মঙ্গলবার থেকেই এই গণেশ নিখোঁজ ছিল বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে এই বিষমদ কাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ জন। অসুস্থ ২৮ জনের মধ্যে অনেকের অবস্থাই সঙ্কটজনক। তাঁদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে। এই নিয়ে বিষমদ কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত পাঁচজন ধরা পড়ল।  
নৃসিংহপুরের এই চৌধুরিপাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে এই চোলাই মদের কারবার চালাত গণেশ হালদার। এলাকায় সে মদ ব্যবসায়ী নামেই পরিচিত। বিষমদ খেয়ে মঙ্গলবার থেকেই অসুস্থ হতে শুরু করেন শান্তিপুরের নৃসিংহপুর এলাকার পুরুষরা। মঙ্গলবার এলাকার চন্দন নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে মদের আসর বসেছিল। বিষমদ খেয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁরও। মৃত চন্দনের মা জানিয়েছেন, গণেশের কাছ থেকেই ওই চোলাই মদ নিয়ে আসা হয়েছিল। গণেশ লোকচক্ষুর আড়ালে গঙ্গার চরে ঝোপের মধ্যে এই বিষমদের কারবার চালাত। এই ঘটনায় আগেই গ্রেপ্তার হয়েছে তার সঙ্গী, যার কাজ ছিল গ্রামে চোলাই মদ পৌঁছে দেওয়া। পুলিস জানিয়েছে, ধৃত গণেশ এর আগেও অনেকবার পুলিসের হাতে ধরা পড়েছিল। তবে এই ব্যবসার সঙ্গে আরও অনেকে যুক্ত রয়েছে বলে অনুমান পুলিসের। এই ঘটনার জন্য শান্তিপুর সার্কেলের আবগারি আধিকারিক–সহ ১১ জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।শুক্রবারই ঘটনাস্থলে যান পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এলাকায় যাওয়ার কথা বিজেপি প্রতিনিধি দলরেও। এছাড়াও নৃসিংহপুর পরিদর্শনে গেছেন আইজি সিআইডির দল।

 

 

 

 

ধৃত গণেশ হালদার। 

 


 

জনপ্রিয়

Back To Top