আজকালের প্রতিবেদন- কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের ঘটনায় ক্ষুব্ধ রাজ্যের সাধারণ মানুষ। এর প্রতিবাদে সোমবার জেলায় জেলায় শুরু হয় রেল ও সড়ক অবরোধ। প্রতিবাদে পথে নামেন মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষও।
সোমবার সকালে নদিয়ার ভায়না হল্ট স্টেশনে শুরু হয় ট্রেন অবরোধ। এর জেরে রানাঘাট থেকে গেদে লাইনের সব ট্রেন আটকে যায়। যাত্রীদের ভিড় বাড়তে থাকে স্টেশনগুলিতে। ঘণ্টা দুই অবরোধ চলার পর দোষীদের গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে অবরোধ উঠে যায়। দুপুরের পর মতুয়া সম্প্রদায়ের নেত্রী ও বনগঁা লোকসভার কেন্দ্রের সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর তঁার সম্প্রদায়ের নেতা–কর্মীদের নিয়ে নিহত বিধায়কের বাড়িতে যান। তিনি বলেন, ‘‌সত্যজিৎ মতুয়া সম্প্রদায়ের বড় সংগঠক ছিলেন। তিনি মতুয়াদের নিয়ে সভাও করেছেন। তঁাকে এভাবে খুন করা হয়েছে, আমরা মেনে নেব না।’‌ এদিকে, অসমে বাঙালি খেদাও এবং কৃষ্ণগঞ্জে তৃণমূল বিধায়ক খুনের ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার বিকেলে শিয়ালদা–বনগঁা শাখায় বিভিন্ন স্টেশনে রেল অবরোধ করেন মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ। সঙ্গে ছিল সাধারণ মানুষও। পাশাপাশি এদিন কঁাচরাপাড়া, দমদম, মধ্যমগ্রাম ও দমদম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষজন। তঁারা কিছুক্ষণের জন্য কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে অবরোধ করেন। অবরুদ্ধ করা হয় বারাসত রেল স্টেশনেও। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে এই অবরোধ। আটকে পড়ে শিয়ালদা–বনগঁা ও শিয়ালদা–হাসনাবাদ শাখার ট্রেন। পরে ঘটনাস্থলে রেল পুলিশ গিয়ে অবরোধকারীদের বুঝিয়ে অবরোধ তুলে দেয়। অন্য দিকে, এদিন দত্তপুকুর–‌লাগোয়া যশোর রোডেও দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে অবরোধ। অবরোধকারীদের দাবি, অবিলম্বে সত্যজিৎ বিশ্বাসের খুনিদের গ্রেপ্তার করতে হবে। প্রায় আধ ঘণ্টা অবরোধ চলার পর তা উঠে যায়।

তথ্যসূত্র:‌ সুখেন্দু আচার্য, নিরুপম সাহা, উদয় বসু ও সোহম সেনগুপ্ত

ট্রেন অবরোধ ভায়না হল্ট স্টেশনে। সোমবার। ছবি:‌ রমণী বিশ্বাস
 

জনপ্রিয়

Back To Top