সঞ্জয় বিশ্বাস, দার্জিলিং: শীতকাল এখনও আসেনি। তার আগেই তুষারে ছেয়ে গেল সান্দাকফু। মরশুমের প্রথম তুষারপাত অন্তত তিন ইঞ্চি উঁচু স্তর তৈরি করেছে। এদিন প্রায় ৭টি গাড়িভর্তি পর্যটকও গিয়েছিলেন। অপ্রত্যাশিতভাবে তুষারপাত পেয়ে বেদম খুশি সবাই। পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, এই তুষারপাতের ফলে বড়দিনের আগেই পর্যটকের ঢল নামার সম্ভাবনা তৈরি হল। সান্দাকফুতে তুষারপাত হওয়ার আশায় শৈলশহর দার্জিলিঙের মানুষও। এদিন ঘুম, জোড়বাংলো, জলাপাহাড়ের মতো বিভিন্ন এলাকাতেও তাপমাত্রা অনেক নীচে চলে গিয়েছিল।
কাগজে কলমে ১৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে চলেছে শীতকাল। তার আগেই হিমেল হাওয়ায় উত্তরের পাহাড় থেকে সমতলে ঠান্ডার প্রকোপ পড়েছে ভালই। এদিন আরও একধাপ এগিয়ে মরশুমের প্রথম তুষারপাতও হল। সান্দাকফু থেকে ফেডারেশন অফ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটির সভাপতি ভরত প্রকাশ রাই জানান, ‘‌প্রায় ৩ ইঞ্চি পুরু হয়ে তুষারপাত হয়েছে। পর্যটকরা দারুণ আনন্দ করেছেন।’‌ হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভলপমেন্ট নেটওয়ার্কের অন্যতম কর্মকর্তা সম্রাট সান্যাল জানান, ‘‌সান্দাকফুতে তুষারপাতের জন্য পর্যটকের ঝোঁক স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে। পাশাপাশি সান্দাকফুতে সতর্কতাও অবলম্বন করা দরকার। আমরা সেটা নিয়ে আলোচনা করছি।’‌ হিমালয়ান ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দেবাশিস মৈত্র জানান, ‘‌এমনিতেই বড়দিনের পর থেকে দার্জিলিং হাউসফুল। তার ওপর তুষারপাতের জন্য পর্যটকের ভিড় আরও বাড়বে বলেই মনে হচ্ছে।’‌

বরফঢাকা সান্দাকফু। ছবি:‌ সংগৃহীত

জনপ্রিয়

Back To Top