মিল্টন সেন, হুগলি, ১৫ এপ্রিল- নকুলদানা নয়, এবার রসগোল্লা বিলি করলেন কেষ্টদার ভাই। তবে এই কেষ্টদা বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল নন, শ্রীরামপুরের দাপুটে নেতা প্রয়াত কেষ্ট মুখার্জি। আর তাঁর ভাই হলেন শ্রীরামপুর পুরসভার পুরপ্রধান অমিয় মুখার্জি। কিন্তু ভোটের মুখে হঠাৎ পথচলতি মানুষকে রসগোল্লা খাওয়ানো কেন? অমিয় মুখার্জির কথায়, ‘‌এতে রাজনীতি নেই। নেত্রীর নির্দেশে মানুষকে কাছে পেতেই এই উদ্যোগ।’‌ বৈশাখ সবে পড়ল। তাতেই চাঁদিফাটা গরম। আর প্রকৃতির গরমের সঙ্গে ভোটের গরম মিশে একেবারে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। এর মধ্যেই কেউ নকুলদানা খাওয়াচ্ছেন তো কেউ লাড্ডু, আবার কেউ বা মুড়ির মোয়া খাওয়াচ্ছেন। তাই তিনি খাওয়ালেন রসগোল্লা। শ্রীরামপুরে অমিয় মুখার্জির পরিচিতি কেষ্টদার ভাই হিসেবেই। দাদার শূন্যস্থান পূরণ করে অমিয়বাবু শ্রীরামপুরের পুরসভায় চেয়ারম্যান হয়েছেন।
বীরভূমের কেষ্টদা অর্থাৎ অনুব্রত মণ্ডল প্রত্যেক ভোটেই কিছু না কিছু দেন। এই নির্বাচনে তাঁর নকুলদানা হিট। তবে শ্রীরামপুরের অমিয়বাবুর রসগোল্লা বিলির মধ্যে কোনও রাজনীতি নেই। তাঁর মতে, তাঁরা সারা বছর মানুষের সঙ্গে থাকেন। তবু পয়লা বৈশাখের মতো উৎসবের দিনগুলিতে মানুষকে আরও কাছে পেতে তাঁর এই উদ্যোগ। দলনেত্রীর নির্দেশ, শুধু উন্নয়ন করলেই চলবে না। মানুষের সঙ্গে মিশতে হবে। তাঁদের অভাব–অভিযোগ শুনতে হবে। নিন্দুকরা অনেক কিছু বলবে। সব কিছুতেই রাজনীতি খুঁজবে। তাতে কিছু যায়–আসে না। সোমবার শ্রীরামপুরের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কল্যাণ ব্যানার্জির কোনও প্রচার কর্মসূচি ছিল না। প্রার্থী নেই তো কী হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচার কিন্তু থেমে থাকেনি। প্রয়াত কেষ্টদার হাতে তৈরি শ্রীরামপুরের জিটি রোড সংলগ্ন পার্টি অফিসের সামনে, নববর্ষের শুরুতে এভাবেই প্রচার সারলেন তাঁর ভাই অমিয় মুখার্জি।

বিলির জন্য হাজির রসগোল্লা।‌ ছবি: আজকাল

জনপ্রিয়

Back To Top