আজকাল ওয়েবডেস্ক: ‌প্রয়াত প্রাক্তন পরিবহনমন্ত্রী তথা সিপিএম নেতা সুভাষ চক্রবর্তীকে নিয়ে দলের অন্দরে বিতর্ক ছিল অনেকের মধ্যে। কিন্তু মহাকরণে তাঁর ঘরের সামনেই ভিড় বেশি হতো। সমস্যায় পড়ে মানুষ সাহায্যের জন্য তাঁর কাছেই আসতেন। যার ফলে পার্টির উর্দ্ধে উঠে তিনি হতে পেরেছিলেন জননেতা। তাঁর মৃত্যুর সময় দেখা গিয়েছিল অগণিত মানুষের চোখের জল রাস্তায় পড়েছিল। এমনই আর এক তরুণ তুর্কি নেতাকে দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। যিনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সেবার পথ ও সুভাষ চক্রবর্তীর আদর্শকে সঙ্গে নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। তা অবশ্য নীরবেই। দলের অন্দরে তাঁকে নিয়েও কম বিতর্ক তৈরি হয়নি। এমনকী দল তাঁকে তকমা দিয়েছে বহিষ্কৃত সাংসদের। হ্যাঁ, তিনি ঋতব্রত ব্যানার্জি। 
যিনি বিশ্বাস করেন পোশাক, হাবভাবে কমিউনিস্ট হলে মানুষের সঙ্গে দূরত্বই বাড়ে।

নীরবে মানুষের পাশে বিপদে দাঁড়িয়ে কাজ করার উদ্দেশ্য থাকলে কমিউনিস্ট হওয়ার প্রয়োজন হয় না। মানুষ হলেই হয়। তাই তো নদীয়া জেলার কল্যাণীর বাসিন্দা ক্যানসারে আক্রান্ত শুক্লা মজুমদারকে চিকিৎসা করানোর উদ্যোগ নিলেন তিনি। আর্থিকভাবে সাহায্য করতে লিখলেন চিঠি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দপ্তরে। তদারকি করে অবশেষে সেই সাহায্য পৌঁছে দিলেন হাসপাতালে। প্রধানমন্ত্রী ন্যাশানাল রিলিফ ফান্ড থেকে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে শুক্লা দেবীর চিকিৎসার জন্য। শুধু তাঁর কানে তুলে দেওয়া হয়েছিল ক্যানসারে আক্রান্ত এক মহিলা কষ্ট পাচ্ছেন। চিকিৎসা করাতে পারছেন না আর্থিক কারণে। তারপর নিজস্ব উদ্যোগে চেষ্টা করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিলেন ঋতব্রত। আর বললেন, ‘‌আমি চাই তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন।’‌ এভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েও নীরবে কাজ করে গেলেন নেপথ্য নায়ক হিসাবে। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top