Crocodile: নদিয়ায় উদ্ধার হওয়া কুমির ছাড়া হল ফারাক্কা ব্যারেজ প্রজেক্ট এলাকায় 

আজকাল ওয়েবডেস্ক: বুধবার দুপুরে নদিয়া জেলার ধুবুলিয়ার কাছে একটি খাল থেকে উদ্ধার হওয়া পূর্ণবয়স্ক প্রায় ৮ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি কুমিরকে বৃহস্পতিবার রাতে মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা ব্যারেজ প্রজেক্ট এলাকার কাছে গঙ্গার ধারে ছাড়া হল।

বনদপ্তরের কর্মীরা কুমিরটিকে নিয়ে এসে তার স্বাভাবিক বাসস্থান এলাকাতে ছাড়েন বলে জানা গেছে। 
বনদপ্তর সূত্রে জানা খবর, দিন তিনেক আগে নদিয়ার ধুবুলিয়ার বলাইনগর শিমুলতলা খালে কুমিরটিকে স্থানীয় জনগণ প্রথম দেখতে পান। এরপরই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে তাঁদের মধ্যে।  পরে বনদপ্তরের কর্মীরা প্রায় আট ফুট দৈর্ঘ্যের কুমিরটিকে উদ্ধার করেন। 
মুর্শিদাবাদ জেলার বনদপ্তরের এক আধিকারিক নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, উদ্ধার হওয়া কুমিরটি মিষ্টি জলের। এরা সাধারণত নদীর আশপাশের জলাশয়, খাল-বিলে থাকে। মূলত মাছ এবং কচ্ছপ প্রভৃতি প্রাণী এই ধরনের কুমিরদের প্রধান খাদ্য। মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা ব্যারেজের আশেপাশের এলাকা ছাড়াও মালদা, ঝাড়খণ্ড এবং বিহারের গঙ্গা ও পদ্মা সংলগ্ন খাল-বিলগুলোতে এই ধরনের প্রচুর কুমির রয়েছে বলে বনদপ্তর সূত্রে জানা গেছে। 
বনদপ্তরের আধিকারিকরা বলেন, নদিয়া থেকে উদ্ধার হওয়া কুমিরটি পাট 'জাগ' দেওয়ার একটি খালে কোনওভাবে ঢুকে গিয়েছিল। তারপরে কুমিরটিকে শিমুলতলা খালে দেখতে পাওয়া যায় এবং এলাকাবাসীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন । 
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত নভেম্বর মাসে মুর্শিদাবাদে ভাগীরথী নদীতে একটি কুমির দেখতে পাওয়া যায়। বনদপ্তরের আধিকারিকেরা সেই সময় জানিয়েছিলেন, কুমিরটি ফারাক্কা থেকে ভেসে এসেছিল। পরে সেই কুমিরটি নদীর স্রোতের সঙ্গে ভেসে নদিয়া জেলায় পৌঁছে গিয়েছিল। যদিও বনদপ্তরের কর্মীরা কুমিরটিকে উদ্ধার করার আগেই সেটি মারা যায়।
 

আকর্ষণীয় খবর