‌বিজয়প্রকাশ দাস, পূর্ব বর্ধমান, ১৩ আগস্ট- ‘দিদিকে বলো’ নম্বরে ফোন করে পূর্ব বর্ধমান থেকে একাধিক অভিযোগ জানানো ছিল। অভিযোগ পেয়ে তড়িঘড়ি এলাকায় ছুটেছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী স্থানীয় বিধায়ক রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। গিয়ে দেখলেন অভিযোগকারীদের অনেকই বাড়িতে নেই। যে সব অভিযোগ করেছেন, সেগুলি খুব সামান্য বিষয়। বর্ধমান শহরে উন্নয়ন নিয়ে সকলেই সন্তুষ্ট। ‘‌দিদিকে বলো’‌ নম্বরে ফোন করে পূর্ব বর্ধমান শহর থেকে যঁারা অভিযোগ জানিয়ে ছিলেন, মঙ্গলবার তঁাদের অনেকেরই বাড়ি বাড়ি ঘুরলেন এলাকার প্রবীণ বিধায়ক রবিরঞ্জন। কিন্তু সেই সব অভিযোগকারীর অনেকেরই দেখা পাননি তিনি।
কয়েকজনের কাছ থেকে গিয়ে তঁাদের অভিযোগ ফের জানতে চাওয়ায় তঁারা কিছুই বলতে পারেনি। এসব দেখে হতাশ হন রবিরঞ্জন। অভিযোগগুলি ছিল এ রকম, আলো নেই, সাপের উপদ্রব, কোথাও পানীয় জলের পাইপ পড়ে আছে ইত্যাদি। বিধায়ক তঁাদের বলেন, যেহেতু বর্তমানে পুর বোর্ড নেই। তাই কোথাও কোথাও এই সমস্যা আছে। তিনি এসডিও–র মাধ্যমে লিখিত অভিযোগ করতে বলেন। এদিন বিধায়ক অভিযোগ আসা এলাকার অনেকেরই বাড়ি বাড়ি যান। তঁাদের সঙ্গে কথা বলেন। তঁাদের সুবিধা–অসুবিধা শোনেন। সামাধানের চেষ্টা করেন। শেষে বললেন, ‘‌এসেছিলাম বেশ কয়েকজনের বাড়িতে। তঁাদের অভাব–অভিযোগ শুনলাম। বর্ধমানের উন্নতির জন্য কী করা যায় তা নিয়েও আলোচনা হল। কোথাও আমাদের কাজকর্মের কোনও ভুল ত্রুটি যদি থাকে, তারও খোঁজ নিলাম। কেউ কেউ বললেন, না, তঁাদের কোনও অভিযোগ নেই। ভালই আছেন। বর্ধমানে শান্তি–শৃঙ্খলা বজায় আছে।‌ দিদিকে বলো নম্বরে অভিযোগ জানানো এমন কিছু ব্যক্তির বাড়িতেও গিয়েছিলাম। তঁাদের বেশিরভাগকেই বাড়িতে পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া কয়েকটা অভিযোগ ছিল যেমন, আলো জ্বলছে না, সাপের উপদ্রব, পানীয় জল সমস্যা ইত্যাদি। এসব নিয়ে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন অনেকেই। আমি তঁাদের বলেছি, এখন তো পুরবোর্ড নেই। তাই আপনাদের অভাব–অভিযোগ থাকলে এসডিও–র কাছে লিখুন।’‌ 

পূর্ব বর্ধমানে এক বৃদ্ধার অভিযোগ শুনছেন রবিরঞ্জন। ছবি:‌ প্রতিবেদক

জনপ্রিয়

Back To Top