আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ কলকাতা বা রাজ্যের অন্যান্য উন্নত জেলার থেকে আক্ষরিক অর্থেই পিছিয়ে পড়া জেলা পুরুলিয়া। অথচ সেখানেই দেখা যাচ্ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে অনেক বেশি আত্মসচেতন মানুষজন। জেলার বেশিরভাগ গ্রামেই বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এবং ভিন রাজ্য বা বিদেশ থেকে আগত প্রবাসী বাসিন্দাদের আগে ১৪ দিনের জন্য কোয়ারানটাইন ক্যাম্পে থেকে শারীরিক পরীক্ষা করে তবেই গ্রামে ঢুকতে বলা হয়েছে বিভিন্ন গ্রামবাসীদের তরফে। স্থানীয় কংগ্রেস বিধায়ক উমাপদ বাউড়ি জানালেন, ‘‌এমন অনেকেই আছেন যাঁরা কোভিড–১৯–এর প্রাথমিক চিকিৎসা শেষ করেই প্রকাশ্যে সবার সঙ্গে মিশতে শুরু করেছেন। এটা ওঁদের বুঝতে হবে যে তাঁরা এভাবে অন্যদেরও বিপদ ডেকে আনছেন।’‌ স্বাস্থ্য দপ্তরের হয়ে সাধারণ মানুষদের সচেতন করার কাজে নিযুক্ত উত্তম বড়্যাকার সাফ জানালেন, এই জেলার বাসিন্দা হলেও অন্য কোথাও থেকে এলেই স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাঁদের ১৪ দিনের জন্য কোয়ারানটাইন করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, এই জেলারই কয়েকটি গ্রামে ভিন রাজ্য থেকে আগত শ্রমিকদের হাতির নজরদারি চালানোর জন্য তৈরি গাছতাঁবুতে স্বেচ্ছা কোয়ারানটাইনের খবর ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলেছে চিকিৎসক মহলে। দরিদ্র ওই মানুষগুলোর স্বাস্থ্য সচেতনা নিয়ে যারপরনাই খুশি চিকিৎসক মহল।
ছবি:‌ এএনআই      

জনপ্রিয়

Back To Top