আজকালের প্রতিবেদন: পুজোর দিনগুলোয় অভব্য আচরণের জন্য কলকাতায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৪৪ জনকে। ২ অক্টোবর থেকে নবমী পর্যন্ত এদের গ্রেপ্তার করা হয়। ২ জন পকেটমার ৪টি মোবাইল–সহ গ্রেপ্তার। বিভিন্ন পুজো মণ্ডপ এবং মেট্রো থেকে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ২ জন মহিলা। ধৃতদের কাছ থেকে ১২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। ‘‌বন্ধু কলকাতা’‌–র উদ্যোগে পুজোর চারদিনে হারিয়ে যাওয়া ১৫টি শিশুকে উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে ১৩ জনকে তাদের বাবা–মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ২ জনকে সরকারি হোমে নিরাপদ আশ্রয়ে রাখা হয়েছে। পুজো দেখতে বেরিয়ে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তাঁদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে কলকাতা পুলিশ। এঁদের মধ্যে ৭ জন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি । পুজোর দিনগুলোয় কড়া হাতে আইন–শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করেছে কলকাতা পুলিশ। লালবাজারের কন্ট্রোল রুম এবং ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের সদস্যরা শহরের কোথায় কখন কতটা ভিড়, কোথায় কখন গাড়ির চাপ কতটা, তাঁরা লক্ষ্য রেখেছেন। সেই মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইভটিজারদের রুখতে কলকাতা চষে বেড়িয়েছেন কলকাতা পুলিশের মহিলা বাহিনী ‘‌উইনার্স’‌। কয়েকজনকে তাঁরা গ্রেপ্তারও করেছেন। 
এদিকে, রেলযাত্রীদের নিরাপত্তায় প্রশংসনীয় ভূমিকা নিতে দেখা গেল রাজ্য পুলিশকে। শহর ও শহরতলির প্রতিটি স্টেশনেই পুজোর সময় আরপিএফকে সক্রিয় সহযোগিতা করে জিআরপি। ভিড় সামলাতে জিআরপির মহিলা কর্মীরাও বিশেষ ভূমিকা নেন। প্রতিটি কামরার সামনে ছিল তাঁদের বিশেষ তৎপরতা। ফুট ওভারব্রিজ, সাবওয়েগুলি, স্টেশনের বাইরেও জিআরপির কর্মী–‌অফিসাররা ছিলেন সমান তৎপর। কিছু যাত্রীর উচ্ছৃঙ্খলতা তাঁরা সামাল দিয়েছেন। ফলে সাধারণ যাত্রীরা ছিলেন রেল পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।‌

জনপ্রিয়

Back To Top