যজ্ঞেশ্বর জানা,তমলুক: প্লাস্টিক চালের গুজব ছড়িয়েছে মেচেদায়। সোশ্যাল মিডিয়ায়ও ঘুরে বেড়াচ্ছে ভাতের বল লাফানোর ভিডিও। বাধ্য হয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জেলা খাদ্য দপ্তর। প্লাস্টিকের চাল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে এমন চালের নমুনা খাদ্য দপ্তরে পেশ করতে বলা হয়েছে। প্লাস্টিক চালের ভাতের ভিডিও ভুয়ো বলে দাবি করেছেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা খাদ্য নিয়ামক সৈকত চক্রবর্তী। তিনি বলেন, ‘‌এই ধরনের চাল এই জেলায় এখনও পাওয়া যায়নি। প্লাস্টিক চাল সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি। আমরা ওই চালের নমুনা সংগ্রহের কথা বলেছি ব্লক খাদ্য দপ্তরকে। প্লাস্টিক চালের ব্যাপারে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।’‌
মেচেদার শান্তিপুরের বাসিন্দা সুকুমার রায় খেতে বসে আবিষ্কার করেন প্লাস্টিক চাল। কয়েক দিন আগে খেতে বসে তিনি দেখেন, ভাতের দলা পাকানো বল মাটিতে ফেললে লাফিয়ে উঠছে। তিনি বলেন, ‘‌ভাতের বল লাফিয়ে ওঠা দেখেই সন্দেহ হয়। সঙ্গে সঙ্গেই পাশের বাড়ি থেকে ভাত এনে বল তৈরি করে মাটিতে ফেলে দেখি তখন সেই ভাতের বল লাফায়নি।’‌ দুই ধরনের ভাতের বলের এমন লাফানোর দৃশ্যে মাথায় হাত সুকুমারবাবুর। প্লাস্টিকের ভেজাল চাল খাচ্ছেন বলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পরিবারের লোকেরা। সুকুমারবাবুর বাড়িতে ভাতের বল লাফানোর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যা দেখার পর চাল নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অনেকেই। বাজারে চাল কিনতে গিয়ে অনেকেই জিজ্ঞাসা করেন, প্লাস্টিকের চাল নয়তো! স্থানীয় বাসিন্দা তথা জেলা পরিষদের খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ সিরাজ খান প্লাস্টিক চালের ব্যাপারে বলেন, ‘‌পুরোটাই গুজব। ভিত্তিহীন খবর। আমাদের জেলায় এখনও এক মুঠো প্লাস্টিক চাল পাওয়া যায়নি। কেউ এ নিয়ে অভিযোগও জানায়নি।’‌

জনপ্রিয়

Back To Top