উদয় বসু: নোনা জল ও মিষ্টি জলের মিশ্রণ সুন্দররনের ম্যানগ্রোভকে বাঁচিয়ে রাখে। বাঁচিয়ে রাখে সুন্দরবনের মানুষ ও অন্য প্রাণীদের। নদীনালা–খালবিল দিয়ে অহরহ প্লাস্টিক গিয়ে সমুদ্রে পড়ে সামুদ্রিক প্রাণীদেরও জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে। ম্যানগ্রোভের অস্তিত্ব–সঙ্কট দেখা দিচ্ছে। কী করে এই সঙ্কট থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জন ও প্লাস্টিকের পুনর্ব্যবহার করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায়, তা নিয়ে বৃহস্পতিবার একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হল দমদম মতিঝিল রবীন্দ্র মহাবিদ্যালয়ে। উদ্যোক্তা ‘‌সোশিও’‌ নামে একটি পরামর্শদাতা এবং গবেষণা সংস্থা ও মতিঝিল রবীন্দ্র মহাবিদ্যালয়। আলোচনায় সুন্দরবনের জল ও প্লাস্টিক নিয়ে আলোচনা করেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা। ম্যানগ্রোভকে বাঁচাতে কী কী কৌশল নেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়। বৃষ্টির জলের ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্লাস্টিক বর্জন তার পুনর্ব্যবহার নিয়ে আলোচনা হয়। এই পর্যায়ে আলোচনার সময় প্লাস্টিক বর্জন করতে এবং এর ভয়াবহতা সম্বন্ধে মানুষকে সচেতন করতে সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার কথা বলা হয়। অন্য দিকে ব্যবহৃত প্লাস্টিককে সংগ্রহ করে কীভাবে পুনর্ব্যবহার করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়। উদাহরণস্বরূপ বাড়ির ছাদ তৈরির জন্য টালি, রাস্তা তৈরির জন্য পেভমেন্ট পাথর, নৌকা বানানোর কথা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য পেশ করেন ইনস্টিটিউট অফ ওসেনোগ্রাফির কনসালট্যান্ট সুভাষ আচার্য, আইআইএসডব্লু অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অধ্যা'পক ড.‌ প্রদীপ শিকদার, অ্যাডামাস ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড.‌ তুহিন ভদ্র, প্রবীণ বিজ্ঞানী ড.‌ মহুয়া সাহা, অমৃতা মহাবিদ্যাপীঠের অধ্যাপক ড.‌ শান্তনু ভৌমিক, ‘‌সোশিও’র অধিকর্তা সুজয় চ্যাটার্জি। উপস্থিত ছিলেন সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। উদ্বোধন করেন জার্মানি দূতাবাসের কলকাতার ডেপুটি কনসাল জেনারেল  জুরগেন থমাস স্রোদ, ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড.‌ বাসব চৌধুরি।‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top