আজকালের প্রতিবেদন, হুগলি: প্রতারণার অভিনব পদ্ধতি। এবার পেটিএম–‌এর চক্করে পড়ে খোয়া গেল ৯০ হাজার। প্রতারিত হলেন চুঁচুড়া বুড়োশিবতলা এলাকার কল্লোল মল্লিক। ইলেকট্রিক বিল, ফোনের বিল টুকটাক খরচের জন্য গত ১৮ জানুয়ারি নিজের মোবাইল ফোনে পেটিএম ওয়ালেট ইনস্টল করেন কল্লোলবাবু। অ্যাকাউন্ট খোলার জন্যে যাবতীয় কেওয়াইসিও জমা দেন। বৃহস্পতিবার তাঁর মোবাইলে একটি মেসেজ আসে তাতে বলা হয় নতুন করে আবার কেওয়াইসি জমা দিতে। প্রয়োজন হলে ৮৩৮৮০৫৮৯২০ এই নম্বরে ফোন করতে বলা হয়। কল্লোলবাবু মেসেজে দেওয়া ফোন নম্বরে ফোন করেন। ওই নম্বর থেকে কল্লোলবাবুকে কুইক সার্ফ অ্যাপ ইনস্টল করতে বলে। একইসঙ্গে ডেবিট কার্ড মারফত এক টাকা পেটিএম ওয়ালেটে দিতে বলে। এর পর ইন কোয়ার নামে আরও একটি অ্যাপ ইনস্টল করিয়ে দেয়। তারপর মুহূর্তের মধ্যে অ্যাকাউন্ট ফাঁকা করে দেয়। চন্দননগরের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৮৯ হাজার ৩১ টাকা ছিল কল্লোলবাবুর। কিছুক্ষণের মধ্যে পুরোটাই অনলাইন পারচেজের মাধ্যমে ট্রান্সফার করে নেয় প্রতারক। ঘটনার বিষয়ে চন্দননগর সাইবার ক্রাইম শাখায় অভিযোগ জানান কল্লোলবাবু। ব্যাঙ্ক প্রতারণার নতুন কায়দা সম্পর্কে অনেকেই ওয়াকিবহাল নন। এতদিন ফোন করে ডেবিট কার্ডের নম্বর নিয়ে প্রতারণা চলছিল। এবার অভিনব কায়দায় মেসেজ করে ফোন নম্বর দিয়ে অ্যাপ ইনস্টল করিয়ে প্রতারণা। যে কৌশলে পা দিয়ে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন বুড়োশিবতলা সেন পাড়ার কল্লোল মল্লিকের মতো অনেকেই।

প্রতারিত কল্লোল মল্লিক। ছবি:‌ পার্থ রাহা

জনপ্রিয়

Back To Top