সম্বৃতা মুখার্জি- আমতা থেকে পালিয়ে রামপুরহাটে চলে আসা এক মানসিক ভারসাম্যহীনকে খুঁজে পেল হ্যাম। অন্যদিকে গঙ্গাসাগরে নিখোঁজ কিশোরী উদ্ধার হল হ্যামের মহিলা সদস্যদের সাহায্যে। ওয়েস্ট বেঙ্গল রেডিও ক্লাবের প্রেসিডেন্ট সুবীর দত্ত এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট হীরক সিনহা জানিয়েছেন, পম্পাকে তার বাবা ও পলাশ পোড়েলকে তাঁর মেয়ে জামাই বাড়ি নিয়ে গেছেন। ‘‌পলাশ পাগল’‌ নামে পরিচিত আমতার পলাশ পোড়েল রামপুরহাটে এসে যখন তখন রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে পড়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করছিলেন। কখনও রেগে তাড়া করে যাচ্ছিলেন পথচারীদের। প্রথমে থানা, পরে রামপুরহাট হাসপাতালে নিয়ে গেলে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন পলাশ। দু–চার ঘা লাগিয়ে দিচ্ছিলেন নার্স থেকে কর্মীদের। হ্যামের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলাতে একটি ফোন দেওয়া হয়েছিল। সেটিও আছড়ে ভেঙেছেন। কড়া নজরদারি সত্ত্বেও হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান পলাশ। ফের ফিরিয়ে আনা হয় তাঁকে। খবর দেওয়া হয় হ্যাম সদস্যদের। অন্যদিকে, ১৪ জানুয়ারি গঙ্গাসাগরে ভিড়ের মধ্যে পরিবার ও প্রতিবেশীদের থেকে ছিটকে যায় পম্পা মণ্ডল। পৌঁছয় লট ৮ বাসস্ট্যান্ডের কাছে। প্রশাসনের দ্বারস্থ হন পম্পার বাবা। খবর দেওয়া হয় হ্যাম সদস্যদের। পম্পার বয়সি কোনও কিশোরীকে একলা ঘুরতে দেখলে জিজ্ঞাসাবাদ করছিলেন তাঁরা। শেষমেশ হ্যাম সদস্য পম্পা সাধুখাঁ ও অমৃতা চক্রবর্তী লট ৮–‌এ বসে থাকতে দেখেন ওই কিশোরীকে। তাঁদের দেখে কিছুটা ঘাবড়ে যায় পম্পা। পরে জানায়, রাস্তা ভুলে সে ওখানে চলে আসে। তাকে তার বাবার কাছে নিয়ে যান হ্যাম সদস্যরা। এদিকে ছেলেকে ছাড়া বাড়ি ফিরবেন না, জেদ ধরেন পলাশ। কিন্তু ছেলে দিল্লিতে। অগত্যা মেয়ে–জামাইকে ডেকে পাঠানো হয়। ওয়েস্ট বেঙ্গল রেডিও ক্লাবের সম্পাদক অম্বরীশ নাগ বিশ্বাস জানান, ছেলের মতো গলা করে তিনি নিজেই ফোনে কথা বলেন পলাশের সঙ্গে। তাঁকে মেয়ে জামাইয়ের সঙ্গে আমতায় ফেরত পাঠানো হয়।

জনপ্রিয়

Back To Top