Kolkata Bus: নিত্যযাত্রীদের জন্য দুঃসংবাদ! ১ মাসেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে আপনার রুটের বাস

আজকাল ওয়েবডেস্ক: আপনি কি বেসরকারি পরিবহণের ওপর নির্ভরশীল? অফিস-কাছারির জন্য বাস-ট্রামেই ভরসা করেন? তাহলে আপনার ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে। একে তো করোনার থাবা, বিধিনিষেধ, ডিজেলের দাম বৃদ্ধি, সব মিলে জেরবার মধ্যবিত্ত। রাস্তায় কমেছে বাস-ট্রামের সংখ্যাও। তাই বাসে যাতায়াতের জন্য আপনাকে হয়ত এখন মিনিট ২০ অপেক্ষা করতে হয়। আগামী ১ মাসে বাসস্টপে এই সময়টা আরও বাড়তে পারে। ডিসেম্বরের মধ্যেই বন্ধ হতে পারে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ বাস। কিন্তু কেন জানেন?

জ্বালানির দাম আগের থেকে একটু কমেছে, তবুও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান এখন দেখতে পাচ্ছেন না বাসমালিকরা। তাই এই সময়ে বাসমালিকদের আয় কীভাবে বাড়বে, সে নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল পরিবহণ দপ্তরের সঙ্গে। তবুও কোনও সমাধান বেরোয়নি। ফলে এক মাসের মধ্যে রাস্তায় বাসের সংখ্যা আরও কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এখন কলকাতা সহ সংলগ্ন এলাকার প্রতিদিন গড়ে আড়াই থেকে তিন হাজার বাস চলছে। কিন্তু বাসমালিকদের আয় না বাড়লে আগামী এক মাসের মধ্যে কমতে পারে অন্তত ১০ শতাংশ অর্থাৎ ২৫০ থেকে ৩০০ বাস। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাস মালিকরা। ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে K-6, K-7 এর মতো রুটে বাস চলাচল। এই রুটগুলিতে এক সময় ২৮ থেকে ৩০টি বাস চলত।

আরও পড়ুন:‌ আবার ট্রেনে ফিরছে প্যান্ট্রি কার পরিষেবা, সম্মতি IRCTC-র 

বুধবারই বেসরকারি বাসমালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছে রাজ্য সরকার। তাদের প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে গণ পরিবহণকে বের করে আনার জন্য বিকল্প পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে। তার জন্য রাজ্য সময় চেয়েছে ১ মাস।

ওয়েস্ট বেঙ্গল বাস-মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপনারায়ণ বসু জানান, ‘এই পরিস্থিতিতে বাস ভাড়া বাড়ানোটাই একমাত্র সমাধান নয়। আমরা দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন ধরনের বিমায় এবং সার্টিফিকেশন অফ ফিটনেসে ছাড় দেওয়ার ব্যাপারে বলে আসছি। বহু বাস বসে গিয়েছে। আগে সেগুলিকে নতুন করে নামাতে হবে।’

অল বেঙ্গল বাস-মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চ্যাটার্জি বলেন, ‘সরকারি বাস ভর্তুকি পায়। আমরা তা পাই না। আমাদের মূল দাবি ছিল আয়বৃদ্ধি। যদি আয় না বাড়ে, তা হলে কীভাবে রাস্তায় বাস নামাব?’ এবার বাসের সংখ্যা কমবে নাকি সরকার কোনও বিকল্প পদ্ধতি বার করবে, সে দিকে চেয়ে আছে বাস সংগঠন।

আকর্ষণীয় খবর