আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ নাম বদলে নিউটাউনের সাপুরজি আবাসনের বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিল অপকর্মের সঙ্গীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য। সুমিত কুমার ও ভরত কুমার নাকি একই ব্যক্তি। অন্তত এমনই দাবি তদন্তকারীদের। বুধবার মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়র থেকে ভরত কুমার গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন তাঁরা। বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রদেশের ভরত কুমার বাংলায় এসে সুমিত কুমার নামে নিজের ভুয়ো নথি তৈরি করে নিউটাউনে ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়। তারপর জসপ্রীত এবং জয়পালকে রেখে ফিরে যায় গোয়ালিয়র। সবচেয়ে বড় কথা, বাংলার নম্বরপ্লেট দেওয়া গাড়ি করেই তারা মধ্যপ্রদেশ থেকে ঝাড়খণ্ড হয়ে সোজা বাংলায় প্রবেশ করে। এখানেই প্রশ্ন, মধ্যপ্রদেশ থেকে কীভাবে বাংলার গাড়ি তারা পেল।
নিউটাউন এনকাউন্টারের পর উঠে আসছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। বুধবার এসটিএফের গুলিতে খতম জসপ্রীত–জয়পালের খুঁটিনাটি জানতে গিয়ে হাতে আসছে বহু নাম। তদন্তকারীদের দাবি, গতমাসে পাঞ্জাব পুলিশের দুই অফিসারকে খুনের পর জসপ্রীতরা মধ্যপ্রদেশে গা ঢাকা দেয়। তারপরই বাংলায় ঢোকে তারা। তদন্তে দেখা যাচ্ছে, WBO24500R – নম্বরের গাড়িটির রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। মূলত বাংলার গাড়ি হিসেবে পরিবহণ বিভাগের কাছে নথিভুক্ত থাকলেও প্রায়শই ভিনরাজ্যে ঘুরে বেড়াত এই গাড়ি। নতুন করে রেজিস্ট্রেশন না করানোয় তা বাংলার গাড়ি হিসেবেই ছিল। মে মাসের ওই সময়ে জসপ্রীত এবং জয়পালের সঙ্গে ওই গাড়িতে ভরতও এসেছিল। কলকাতায় আসার পর দালাল সুশান্ত সাহার মাধ্যমে নিউটাউনের সুখবৃষ্টি আবাসনে এন্টালির বাসিন্দা আকবর আলির ২০১ নম্বর ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করে জয়পাল, জসপ্রীত। বুধবার দুপুরে গোয়ালিয়র থেকে ভরত ওরফে সুমিত কুমার গ্রেপ্তার হওয়ার পরপরই নিউটাউনের আবাসনে এসটিএফের অভিযানে খতম হয় দুই গ্যাংস্টার। তদন্তের স্বার্থে বৃহস্পতিবার সুখবৃষ্টি আসাবনে গিয়েছিল রাজ্য পুলিশের ফরেন্সিক দল। ফিঙ্গার প্রিন্ট ও ফুট প্রিন্ট সংগ্রহ করা হয়েছে। রক্তের নমুনা ও দুটি ফাটা বুলেটের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। 
 

জনপ্রিয়

Back To Top