গৌতম চক্রবর্তী: অল্পের জন্য ট্রেনের ধাক্কা থেকে বাঁচল যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মিমি চক্রবর্তীর হুডখোলা প্রচারগাড়ি। যদিও ঘটনার সময় প্রার্থী ওই গাড়িতে ছিলেন না। তিনি তার আগেই গাড়ি থেকে নেমে রেললাইন পার হয়ে অন্য গাড়ি করে প্রচারে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। ওই প্রচারগাড়িটির রেললাইন পার হওয়ার কথাও ছিল না। কিন্তু কিছু মানুষের অতি উৎসাহে গাড়িটি রেললাইন পার হতে গিয়ে বাধে বিপত্তি। গাড়ির চাকা আটকে যায় লাইনে। মঙ্গলবার সকালে সোনারপুরের বিদ্যাধরপুর রেলস্টেশনের কাছের ঘটনা।
প্রার্থীর গাড়ি ক্যানিং শাখার রেললাইনে আটকে যাওয়ায় সকাল ৯টার ক্যানিং–শিয়ালদাগামী লেডিস স্পেশ্যাল ট্রেনকে লাল পতাকা দেখিয়ে দাঁড় করিয়ে দেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী–সমর্থকরা। পরে রেললাইন থেকে প্রার্থীর গাড়িকে সরিয়ে দেওয়া হলে, আবার ট্রেন চলাচল শুরু হয়। সোনারপুর রেল পুলিশের দাবি, অল্প সময়েই গাড়িটি রেললাইন থেকে সরানো গেছে। তাই ট্রেন চলাচলে তেমন কোনও বিঘ্ন ঘটেনি। রেলের তরফ থেকে রেল পুলিশের কাছে কোনও মেমোও দেওয়া হয়নি। যদিও প্রার্থী মিমি ওই গাড়িতে আটকে আছেন ভেবে প্রচুর মানুষজন এসে ভিড় করেছিলেন রেললাইনে।
এদিন প্রার্থীর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তী, বিধায়ক জীবন মুখার্জি, তৃণমূল নেতা কৃষ্ণপদ মণ্ডল, শ্যামল মণ্ডল, সমীর মণ্ডল প্রমুখ। মঙ্গলবার সকাল ৮টার পর সোনারপুর দক্ষিণের সোনারপুর–২ পঞ্চায়েতের অন্তর্গত পদ্মমধু মোড় থেকে হুডখোলা গাড়িতে চেপে প্রচার শুরু করেন প্রার্থী মিমি চক্রবর্তী। আড়াপাঁচ, কালিকাপুর, বিদ্যাধরপুর ঘুরে সকালের প্রচার সারেন। পথে দাঁড়িয়ে শিশুদের নিয়ে মজাও করেন। শিশুকে কোলে তুলে আদর করেন। এদিন যেখানেই প্রার্থী মিমি চক্রবর্তী গেছেন, এলাকার মহিলারা ছুটে এসেছেন। কেউ কেউ শাঁখ বাজিয়ে গলায় মালা পরিয়ে মিমিকে সংবর্ধনা জানিয়েছেন।
 

জনপ্রিয়

Back To Top