আজকালের প্রতিবেদন: কেন্দ্র ১০০ দিনের কাজে সময় মতো টাকা দিচ্ছে না। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বুধবার বিধানসভায় একথা জানিয়েছেন। তিনি এদিন বলেন, ‘‌আমরা ১০০ দিনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। সেচ, বন দপ্তর, পরিবেশ, মৎস্য দপ্তর কাজ করে চলেছে। ৩ লক্ষ পুকুর কাটা হয়েছে। ১০০ দিনের কাজের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা গাছ লাগানোর কাজ করলে  তাঁদের রোজগার বাড়বে। মিড–‌ডে মিলের কাজ যাঁরা করছেন তাঁরাও এই কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন।’‌ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‌১০০ দিনের কাজে, কর্ম সংস্থানে, রাস্তাঘাট নির্মাণে, গরিবদের আবাসন তৈরিতে বাংলা প্রথম স্থানে রয়েছে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা চলছে।’‌ ১০০ দিনের কাজের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে সমর্থন করেন তৃণমূল বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, কেন্দ্রীয় সরকার ১০০ দিনের কাজ কিছু জায়গায় নিয়ন্ত্রণ করছে। 
এদিন পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জিকে প্রশ্ন করেন তৃণমূল বিধায়ক দেবেশ মণ্ডল। তিনি মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘‌কেন্দ্রীয় সরকার বলেছে ১০০ দিনের কাজে পুরনো ও নতুন পুকুর খনন করা যাবে না।’‌ তিনি ‘‌জল ধরো, জল ভরো’‌ প্রকল্পের বিষয়েও জিজ্ঞাসা করেন। পঞ্চায়েত মন্ত্রী জানান, ‘‌এরকম কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। আমরা পুকুর কেটেছি। ১০০ দিনের কাজ খুব ভাল ভাবে চলছে। ৩৩ কোটি ২১ লক্ষ শ্রমদিবস সৃষ্টি হয়েছে।’‌ মুখ্যমন্ত্রী ও পঞ্চায়েত মন্ত্রী জানান জল ধরো জল ভরো প্রকল্প সাফল্যের সঙ্গে চলছে। 
সিপিএমের তন্ময় ভট্টাচার্য পঞ্চায়েত মন্ত্রীকে বলেন, ‘‌১০০ দিনের কাজকে ২০০ দিন করা হোক। সেই সঙ্গে কর্মীদের পারিশ্রমিক ১৭৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫০ টাকা করা হোক। সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী এই প্রস্তাবকে সমর্থন করেন। মন্ত্রী জানান, পারিশ্রমিক আগে ১২৫ টাকা ছিল। সেটা এখন বেড়েছে। তবে আরও বাড়া দরকার।  সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘‌এই বিষয়ে দিল্লির কাছে রাজ্য সরকার চিঠি দিক।’‌ তৃণমূলের হীতেন বর্মন জানান, কোচবিহারে অনেক জবকার্ড বতিল করে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রীর বক্তব্য, জেলাশাসকরা জব কার্ড বাতিল করতে পারেন না। সকলকে কাজ দিতে হবে। নীচু তলার যাঁরা জব কার্ড নিয়ে বদমাইশি করছেন, তাঁরা করবেন না। সবাই কাজ করবে। সিপিএমের রামশঙ্কর হালদার বলেন, ১০০ দিনের কাজে পঞ্চায়েত স্তরে বৃক্ষরোপণ নিয়ে আসা উচিত।‌‌‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top