দীপঙ্কর নন্দী: আজ, শনিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঝঞ্ঝাবিধ্বস্ত এলাকা হেলিকপ্টারে পরিদর্শন করবেন। নামখানা, গোসাবা, ক্যানিং, সাগর, কাকদ্বীপ, ঘোড়ামারা–‌সহ বিভিন্ন এলাকা এই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আকাশপথে মুখ্যমন্ত্রী দেখবেন এই সব এলাকা। পরিদর্শনের পর তিনি নামবেন কাকদ্বীপে। তৈরি হয়ে গেছে হেলিপ্যাড। ইতিমধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক পি উলগানাথনের কাছ থেকে প্রাথমিক রিপোর্ট নেওয়া হয়েছে। শুরু হয়েছে পুনর্নির্মাণের কাজ। ত্রাণ শিবিরে যঁারা ছিলেন, তঁারা এখনও সেখানেই আছেন। মুখ্যমন্ত্রী বার বার বলেছেন, ‘‌পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আপনারা বেরোবেন না।’‌
আজ মুখ্যমন্ত্রী আকাশপথে পরিদর্শন করার পর কাকদ্বীপে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন। জেলার সব প্রতিনিধিকে এই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। থাকবেন সাংসদ সিএম জাটুয়া, প্রতিভা মণ্ডল, বিধায়কদের মধ্যে সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরা, দক্ষিণ ২৪ পরগনার তৃণমূলের জেলা সভাপতি ও সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তী, পুলিশ সুপার–‌সহ অন্য আধিকারিকেরা। এসডিও এবং বিডিও–‌দেরও থাকতে বলা হয়েছে। প্রত্যেকের কাছ থেকেই মুখ্যমন্ত্রী ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে জানতে চাইবেন। জেলায় ঝড়ের তাণ্ডবে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের পরিবারকে মুখ্যমন্ত্রী আড়াই লক্ষ টাকা করে অর্থ–‌‌সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছেন। আহতদের দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা। মৃতদের পরিবারের হাতে মুখ্যমন্ত্রী নিজে আর্থিক সাহায্য তুলে দেবেন এদিন। শনিবারই তিনি ফিরবেন কলকাতায়।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার একটি প্রাথমিক রিপোর্ট তৈরি করেছেন। ত্রাণ শিবিরগুলিতে ত্রাণ পৌঁছোতে শুরু করেছে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে জেলায় কাজ শুরু হয়েছে বলে জেলাশাসক রাজ্যের মুখ্য সচিবকে জানিয়েছেন। পানীয় জল, ত্রিপল, বেবি ফুড, অন্যান্য খাবারও যথেষ্ট পরিমাণে মজুত আছে বলে জানা গেছে। এলাকার ক্লাবগুলিকে কাজে লাগানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই নির্দেশ দিয়েছেন। সাপে কাটার ওষুধ হাসপাতালে প্রয়োজনমতো আছে কি না, মুখ্যমন্ত্রী জানতে চাইবেন।‌

জনপ্রিয়

Back To Top