অমিতকুমার ঘোষ, কৃষ্ণনগর: কৃষ্ণনগরে প্রচার শুরু করে দিলেন তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্র। আর প্রার্থী ঘোষণা না হওয়ায় কার্যত বসে রয়েছেন বাম ও বিজেপি–র কর্মীরা। কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রে ভোট ২৯ এপ্রিল। মহুয়া এদিন কৃষ্ণনগরে জেলাশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে দলীয় নেতা–কর্মীদের নিয়ে মিছিল শুরু করেন। পথে রবীন্দ্রভবনে ঢুকে শহিদবাগে শহিদদের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানান। এদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের জেলা সভাপতি গৌরীশঙ্কর দত্ত, কৃষ্ণনগর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান অসীম সাহা, কালীগঞ্জের বিধায়ক হাসানুজ্জমান শেখ প্রমুখ। 
মিছিলের মাঝে মহুয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘‌বুথস্তরের সমস্ত তৃণমূল কর্মীকেই এই নির্বাচনী লড়াইয়ে সামিল করতে চাই। এই লড়াইয়ে কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের সমস্ত মানুষের আশীর্বাদ চাই। এর আগে করিমপুর বিধানসভা কেন্দ্রের মানুষের পাশে সবসময় ছিলাম। এবার কৃষ্ণনগরের মানুষের পাশে সব সময় থাকতে চাই।’‌ জেলা সভাপতি গৌরীশঙ্কর দত্ত বলেন, ‘‌এই বিষয়টি দল সামলাবে।’‌ কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রে সংখ্যালঘু ভোটার অনেক আছে। সেই ভোট কতটা টানতে পারবেন প্রশ্ন করা হলে মহুয়া বলেন, ‘‌আমি জাতপাতের কোনও ভেদাভেদ করি না। সব মানুষই আমার কাছে সমান। প্রত্যেকের কাছে আবেদন রাখব আমাকে ভোট দেওয়ার জন্য। উল্লেখ্য, মহুয়া মৈত্র কৃষ্ণনগরের সাধারণ মানুষের কাছে তেমন পরিচিত মুখ না হলেও, গত বিধানসভা নিবা৴চনে তিনি করিমপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তারপর তিনি তঁার নানা কাজে কৃতিত্বের ছাপ রেখেছেন। তিনি করিমপুরে নানা উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল একনম্বরে থাকলেও বিজেপি ভাল ফল করেছিল। তৃণমূল নেতাদের দাবি, পরিস্থিতি বদলেছে। সব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারবেন মহুয়া মৈত্র। গত লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে থেকে তাপস পাল প্রায় ৭০ হাজার ভোটে সিপিএমের শান্তনু ঝা–‌কে পরাজিত করছিলেন। বিজেপি–র সত্যব্রত মুখাজি৴ তৃতীয় স্থানে ছিলেন।

প্রচারে মহুয়া মৈত্র। কৃষ্ণনগরে। শুক্রবার। ছবি:‌ অমিতকুমার ঘোষ 

জনপ্রিয়

Back To Top