ঘোষিত মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকের মূল্যায়ন ফর্মুলা, কীভাবে নম্বরের হিসেব, রইল গাণিতিক উদাহরণ

আজকাল ওয়েবডেস্ক: ঘোষণা করা হল মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিকের মূল্যায়ন পদ্ধতি। নবম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা ও দশম শ্রেণীর অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার নম্বর ৫০-৫০ নিয়েই হবে মূলায়ন, জানালেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়।

অন্যদিকে, উচ্চমাধ্যমিকের  মূল্যায়ন কীভাবে? তাও ঘোষণা করলেন উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি মহুয়া দাস।  বলা হল, ২০১৯ সালের ৪টি বিষয়ের সর্বোচ্চ নম্বরের ভিত্তিতে ৪০ শতাংশ, একাদশের বার্ষিক লিখিত পরীক্ষার ৬০ শতাংশ নিয়ে লিখিত পরীক্ষার নম্বর দেওয়া হবে। সঙ্গে থাকবে প্রজেক্ট বা প্র্যাকটিকাল ওয়ার্ক। এবার দেখে নেওয়া যাক উদাহরণ।

লিখিত পরীক্ষা ৭০-এ হলে

উচ্চমাধ্যমিকে পরীক্ষা হয় ৭০-এ এবং কিছু পরীক্ষা হয় ৮০-তে। মাধ্যমিকের থেকে সর্বোচ্চ চারটি বিষয়ের ৪০ শতাংশ নম্বর নেওয়া হবে। ধরা যাক, কোনও মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী চারটি বিষয়ে ৪০০ নম্বরের মধ্যে ২০০ নম্বর পেয়েছে। সেক্ষেত্রে যদি লিখিত পরীক্ষা ৭০-এ হয় মাধ্যমিকের অংশ (৭০*৪০%)=২৮। এই ২৮ এর ২০০/৪০০ নেওয়া হবে। অর্থাৎ, ২৮*২০০/৪০০= ১৪ (এটি প্রতিটি বিষয়ে যোগ হবে)।

একাদশ শ্রেণীতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে (ধরা যাক পদার্থ বিজ্ঞান) সে যদি ৭০-এর মধ্যে ৫০ পায়, সেক্ষেত্রে এই ৬০% অংশে তার প্রাপ্য নম্বর বিচার হবে (৭০*৬০%)=৪২। এই ৪২ এর ৫০/৭০ অর্থাৎ প্রাপ্য নম্বর ৪২*৫০/৭০= ৩০

এবং প্র্যাকটিকালে ধরা যাক তার প্রাপ্ত নম্বর ২৮। 

সেক্ষেত্রে পদার্থবিজ্ঞানে তার প্রাপ্ত নম্বর হবে (১৪+৩০+২৮)=৭২

যদি লিখিত পরীক্ষা ৮০-তে হয়

ধরা যাক, কোনও মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী চারটি বিষয়ে ৪০০ নম্বরের মধ্যে ২০০ নম্বর পেয়েছে। সেক্ষেত্রে যদি লিখিত পরীক্ষা ৮০-এ হয় মাধ্যমিকের অংশ (৮০*৪০%)=৩২। এই ৩২ এর ২০০/৪০০ নেওয়া হবে। অর্থাৎ, ৩২*২০০/৪০০= ১৬ (এটি প্রতিটি বিষয়ে যোগ হবে)।

একাদশ শ্রেণীতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে (ধরা যাক হিসাবশাস্ত্র) সে যদি ৮০-এর মধ্যে ৫৫ পায় সেক্ষেত্রে এই ৬০% অংশে তার প্রাপ্য নম্বর বিচার হবে (৮০*৬০%)=৪৮-এ। এই ৪৮ এর ৫৫/৮০ অর্থাৎ প্রাপ্য নম্বর ৪৮*৫৫/৮০= ৩৩

এবং প্রোজেক্টে ধরা যাক তার প্রাপ্ত নম্বর ১৯। 

সেক্ষেত্রে হিসাবশাস্ত্রে তার প্রাপ্ত নম্বর হবে (১৬+৩৩+১৯)= ৬৮

তবে এই ফলাফলে সন্তুষ্ট না হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরবর্তী সময়ে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে পারবে পরীক্ষার্থীরা।