সোহম সেনগুপ্ত: বারাসত ও মধ্যমগ্রামে আজ, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে আরও কড়াকড়ি। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে প্রশাসনের এই পদক্ষেপে খুশি বাসিন্দারাও। বুধবার বারাসত ও মধ্যমগ্রামের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জোরদার প্রচার চলে। তাতে বলা হয়, চা, পান ও চপের দোকান পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। রোজ সকাল ৭টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত সামাজিক দূরত্ব মেনে দোকান খুলতে হবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেরোনো যাবে না। বারাসত পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর পক্ষে অশনি মুখার্জি জানান, বারাসত স্টেডিয়ামকে ‘‌সেফ হাউস’‌ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কন্টেনমেন্ট এলাকা বাঁশ দিয়ে ঘিরে দেওয়া হলেও সেখানকার মানুষের সুবিধে–অসুবিধে দেখবে প্রশাসন। প্রত্যেক কন্টেনমেন্ট জোনের সামনে সিভিক ভলান্টিয়াররা ২৪ ঘণ্টা থাকছেন।
এদিকে, বারাসত ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন একটি বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের অধ্যক্ষ করোনা আক্রান্ত হওয়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ওই স্কুলের অন্য শিক্ষক–শিক্ষিকারা সংক্রমিত হয়েছেন কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। করোনা নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে ২৬ জুলাই বারাসত সুভাষ ইনস্টিটিউট হলে ডাঃ ধীমান চ্যাটার্জির উদ্যোগে একটি সচেতনতা শিবির অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে বক্তব্য পেশ করবেন ডাঃ অমিতাভ নন্দী, ডাঃ হিরণ্ময় সাহা–সহ করোনা চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন চিকিৎসক। ডাঃ ধীমান চ্যাটার্জি জানান, কীভাবে বারাসত শহরে সংক্রমণ আটকানো যায় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। কেউ করোনা আক্রান্ত হলে কী, কী করা উচিত তা নিয়েও আলোচনা হবে ওই সভায়।‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top