আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ নিউটাউনের আবাসনে লুকিয়ে ছিল পাঞ্জাবের গ্যাংস্টাররা। খোঁজ পেয়েই এনকাউন্টারে তাদের নিকেশ করে এসটিএফের আধিকারিকরা। আর এই ঘটনা সামনে আসতেই শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এ প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‌বাংলাতেই বারবার ঘাঁটি গাড়ছে জঙ্গিরা, গ্যাংস্টাররা। এ বিষয় নিয়ে তদন্ত হোক। কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে তদন্ত করাতে হবে। তবেই সত্যিটা সামনে আসবে। আর রাজ্য সরকার সিআইডি দিয়ে তদন্ত করিয়ে প্রকৃত সত্য ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। আসল সত্যিটা প্রকাশ হচ্ছে না দেখেই বাংলাতে আশ্রয় নিচ্ছে কুখ্যাত গ্যাংস্টাররা। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা হচ্ছে। দোষীদের ধরতে কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে তদন্ত হোক।’‌ প্রসঙ্গত, নিউটাউনের সুখবৃষ্টি আবাসনে ফ্ল্যাটে ভাড়া নিয়ে বাস করছিল কুখ্যাত গ্যাংস্টাররা। সেই ঘরের বিভিনন আসবাবপত্র থেকে মিলছে পাকিস্তান যোগ। এছাড়াও মিলেছে প্রচুর মোবাইল ফোন এবং সিম কার্ড। পুলিশ আধিকারিকরা সেগুলি উদ্ধার করে নিয়ে তদন্ত করে খতিয়ে দেখছে। সিমগুলি কোথাকার তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কুখ্যাত গ্যাংস্টাররা মাদক পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিল বলেই অনুমান করছে পুলিশ। পাঞ্জাব পুলিশ সূত্রেও খবর, মৃত গ্যাংস্টাররা আন্তর্জাতিক মাদক পাচারের কাজে যুক্ত ছিল। উল্লেখ্য, বেশ কয়েক মাস ধরেই পাঞ্জাব পুলিশ মৃত গ্যাংস্টার জয়পালকে খুঁজছিল। পাকিস্তান থেকে মাদক এনে তা ছড়িয়ে দিত পাঞ্জাব সহ একাধিক রাজ্য জয়পাল। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাকে খুঁজছিল পাঞ্জাব পুলিশ।   

জনপ্রিয়

Back To Top