গৌতম মণ্ডল, কাকদ্বীপ: নিখোঁজ মৎস্যজীবী পরিবারের পাশে দাঁড়াল রাজ্য সরকার। চলতি বছরে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে সামুদ্রিক ঝঙ্ঝায় ট্রলার উল্টে নিখোঁজ হয় শতাধিক মৎস্যজীবী। পরে বাংলাদেশ থেকে অধিকাংশ মৎস্যজীবীর খোঁজ মেলে। কিন্তু এখনও নিখোঁজ ২৩ মৎস্যজীবী। সরকারি নিয়মে নিখোঁজ মৎস্যজীবীকে মৃত ঘোষণা করে ক্ষতিপূরণ দিতে ৭ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। কিন্তু এবার দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বিধায়ক তথা সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। পরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নবান্নয় ফাইল পাঠানো হয়। মুখ্যমন্ত্রী জেলা প্রশাসনকে ২৩ মৎস্যজীবী পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন। বুধবার কাকদ্বীপ বিডিও অফিসে ওই পরিবারগুলির হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক তথা সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরা, জেলাশাসক পি উলগানাথন, মহকুমা শাসক শৌভিক চট্টোপাধ্যায়, মৎস্যজীবী ইউনিয়নের নেতা সতীনাথ পাত্র।
এদিন নিখোঁজ মৎস্যজীবী পরিবারদের স্বজনরা চেক নিতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এই আর্থিক সাহায্যের পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলি স্বস্তি পেয়েছেন। এদিন মন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরা বলেন, ‘‌কাকদ্বীপ, নামখানার বাসিন্দাদের বড় অংশ সামুদ্রিক মৎস্যজবীবী। প্রতি বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে মৃত্যু হয় মৎস্যজীবীদের। অনেকেই নিখোঁজ হয়ে যান। মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তায় সরকার একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে। তার পরও এই বছর এমন দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। ২৩ মৎস্যজীবীদের পাশে দঁাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারি নিয়ম শিথিল করে এই ক্ষতিপূরণের নির্দেশ আসে। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের বিকল্প কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা করা হবে।’‌ ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top