সোহম সেনগুপ্ত, বারাসত: যাত্রাশিল্পীদের ভাতা বাড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। শুক্রবার ২৩তম যাত্রা উৎসবের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী ৬৮টি উন্নয়নমূলক প্রকল্পেরও উদ্বোধনও করেন। একইসঙ্গে শিলান্যাস হয় ৪২টি প্রকল্পের। এছাড়া ১০ জনকে প্রখ্যাত যাত্রাভিনেতাকে ‘‌শান্তিগোপাল’‌ ও ‘‌তপনকুমার’–‌এর নামাঙ্কিত‌ পুরস্কারে সম্মানিত করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‌যাত্রাশিল্পীদের যে এককালীন ৯ হাজার টাকা দেওয়া হত তা এবার বাড়িয়ে ১৫ হাজার টাকা করা হল।’‌ শিল্পীদের তিনি  বলেন,‌ ‘‌বাস্তব নিয়ে যাত্রা করুন। রাজনীতি নয়, মানুষের কথা বলবে সেই যাত্রাপালা। যা মানুষকে সঠিক দিশা দেখাবে।’‌ 
এদিকে এদিনই ঠাকুরনগরের হরিচাঁদ গুরুচাঁদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি জানান,‌ ‘‌ইতিমধ্যেই মতুয়া সম্প্রদায়ের দাবি মেনে একটি কলেজ হয়েছে। কৃষ্ণনগরেও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ক্যাম্পাস হবে।’‌ যাত্রা উৎসবের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, পূর্ণেন্দু বসু, ব্রাত্য বসু, ইন্দ্রনীল সেন, তাপস রায়, সুজিত বসু, সাংসদ ডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সৌগত রায়, দীনেশ ত্রিবেদী, ইদ্রিশ আলি, মমতাবালা ঠাকুর, জেলা পরিষদের সভাধিপতি বীণা মণ্ডল, জেলা পরিষদের দলনেতা নারায়ণ গোস্বামী, বারাসতের বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী–‌সহ অন্য বিধায়ক ও জনপ্রতিনিধিরা।

‌‌‌

 

সমব্যথী

নবান্নে লিফটম্যান সুভাষ রায়ের মৃত্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি শোকাহত। শুক্রবার পূর্ত দপ্তরের ওই লিফটম্যানের স্ত্রী শুভ্রা রায় এবং ছেলে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বাবুঘাটের মঞ্চেই দেখা করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‌ওঁর স্ত্রীকে গ্রুপ ডি–‌তে রাজ্য সরকার চাকরি দিচ্ছে। ওঁর হাসিমুখটা সব সময় ভেসে ওঠে। অসহায় মানুষের পাশে দঁাড়ানোই আমাদের কাজ।’‌ মুখ্যমন্ত্রীর এই মানবিকতা বোধে উপস্থিত সবাই উচ্ছ্বসিত।‌‌‌

কাঁসর বাজিয়ে উৎসবের সূচনা। যাত্রাশিল্পীদের মাঝে‌ মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। রয়েছেন ক্রীড়া ও যুবকল্যাণমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। বারাসত কাছারি ময়দানে। শুক্রবার। ছবি:‌ ভবতোষ চক্রবর্তী

জনপ্রিয়

Back To Top