উদয় বসু: হালিশহর লক্ষ্মীনারায়ণপুরের বধূ সোনালি হালদারের সঙ্গে ফেসবুকে প্রেম হয় বর্ধমান কাঞ্চননগরের মিলন খাঁ (‌২০)–র‌। ভালই চলছিল সেই গোপন সম্পর্ক। সোনালির স্বামী সৌমিত্র ব্যাপারটি জেনে ফেলায় তুমুল অশান্তি শুরু হয় দু’‌জনের মধ্যে। সোনালি মিলনকে হালিশহরে আসতে বারণ করলেও সে–কথা সে কানে তোলেনি। ২৬ নভেম্বর মিলন ফের সোনালির বাড়িতে আসে। খবর পেয়ে সৌমিত্র বাড়ি এসে মিলনকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। বেধড়ক মারধর করে গলায় ফাঁস টেনে মিলনকে খুন করে সৌমিত্র। কয়েকজনের সাহায্যে মিলনের দেহ নিয়ে যায় হালিশহর ভাগাড়ে। সেখানে একটি সেপটিক ট্যাঙ্কের মধ্যে তার দেহ ফেলে পালায় তারা। ভাগাড়ের মধ্যে কুকুর–শকুনের হল্লা দেখে স্থানীয়রা বীজপুর থানায় খবর দেয়। পুলিশ এসে মিলনের দেহ উদ্ধার করে। মৃতদেহের হাতে ‘‌মিলন’‌ নামটি উল্কি আঁকা ছিল। তদন্ত শুরু করে পুলিশ। খুঁজে বের করে আততায়ী সৌমিত্রকে। গ্রেপ্তার করা হয় সৌমিত্র ও তার স্ত্রী সোনালিকে। ওরা পুলিশের কাছে খুনের কথা স্বীকার করেছে। রবিবার তাদের ব্যারাকপুর মহকুমা আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়।‌

জনপ্রিয়

Back To Top