আজকালের প্রতিবেদন: ‌সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থাকে যেহেতু সব সময়ই অত্যাবশ্যকীয় নাগরিক পরিষেবা হিসেবে দেখা হয়, ডাক্তারদের ধর্মঘট কোনও সরকারের কাছেই কাম্য নয়। এমন ধরনের পরিস্থিতিতে ‘‌এসমা’‌ জারি করার কথাও এর আগে বহু রাজ্য সরকারই ভেবেছে বা সেই আইনের প্রয়োগ করেছে। 
২০০৮ সালে ওড়িশার বিজু জনতা দল সরকার ডাক্তারদের ধর্মঘটের হুমকি পেয়েই এসমা জারি করেছিল এবং সাত নেতাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছিল। ২০০৯ সালের গুজরাট। নরেন্দ্র মোদি তখন মুখ্যমন্ত্রী। এসমা প্রয়োগ করে জুনিয়র ডাক্তারদের ধর্মঘট শুধু ভাঙাই হয়নি, ১৫০ ডাক্তারকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল।
২০১৫ সালে দিল্লিতে কর্মস্থলে নিরাপত্তা–সহ আরও কিছু দাবিতে ডাক্তাররা ধর্মঘট করেছিলেন। আম আদমি পার্টির সরকার এসমা জারি করেই সেই ধর্মঘট ভেঙেছিল। ২০১৬ সালে আবারও সেই দিল্লি, আবারও আপ সরকার। সেবার নার্সদের ধর্মঘটের মোকাবিলা করতে এসমা জারি হয়েছিল। ২০১৭ সালে বিজেপি–‌শাসিত রাজস্থানে প্রতিবাদ হিসেবে একদিনে একসঙ্গে ছুটি নিয়েছিলেন সরকারি ডাক্তাররা। সেবারও তঁাদের বিরুদ্ধে এসমা প্রয়োগ করা হয়। 
২০১৭, বিজেপি–‌শাসিত হরিয়ানা। সরকারি হাসপাতালের আউটডোরে কর্তব্যরত ডাক্তাররা ২ ঘণ্টা ধর্মঘট করেন। এসমা জারি হয়েছিল ৬ মাসের জন্য। ২০১৮ জম্মু–কাশ্মীর। সেখানেও তখন বিজেপি–‌র জোট সরকার। ধর্মঘটের ডাক দিয়ে এসমা জারির সম্ভাবনার মুখে পিছিয়ে আসেন ডাক্তাররা। সেই বছরই মণিপুরে একইভাবে এসমা জারির উপক্রম হয়। মণিপুরে তখন সরকারে ছিল বিজেপি।‌‌

ছবি: শিখর কর্মকার

জনপ্রিয়

Back To Top