গৌতম চক্রবর্তী: শিবির করে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে নাম নথিভুক্তকরণে এখনও রাজ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রথম স্থানে রয়েছে। গত আগস্ট মাস থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত শিবিরের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে নাম নথিভুক্তকরণের যে কর্মসূচি চলছে, তাতে এই জেলা প্রায় ৮ লক্ষের মতো নাম নথিভুক্ত করেছে। যা রাজ্যের অন্য জেলার চেয়ে অনেক বেশি। তাই এখনও এই জেলা প্রথম স্থানে রয়েছে। শুধু তাই নয়, এই জেলা থেকেই স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে সব থেকে বেশি টাকা ‘‌ক্লেইমড’‌  হয়েছে। যা রাজ্যের অন্য জেলাগুলির থেকে বেশি। এক্ষেত্রেও জেলা প্রকল্পের অগ্রগতিতে রয়েছে। এছাড়াও বাঁকুড়া জেলার পর দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা থেকেই সব থেকে বেশি মানুষ এই প্রকল্পে সুযোগ সুবিধা নিয়েছেন বলেও জানা গেছে। ফলে, প্রকল্পে অংশগ্রহণেও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এই জেলা। বুধবার আলিপুরের প্রশাসনিক ভবনে জেলার আলিপুর মহকুমার বিভিন্ন জায়গার মানুষের হাতে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড তুলে দেওয়ার জন্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে এমনই তথ্যের কথা জানান জেলা প্রশাসনের কর্তারা। তাঁরা জানান, জেলাতে বর্তমানে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ৪ লক্ষ ৯৪ হাজার ১৮৪ জন। এই কয়েক মাসে শিবিরের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে নাম নথিভুক্তকরণে প্রায় ৮ লক্ষ নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। এই পর্যন্ত এই প্রকল্পের সুবিধা প্রাপ্তের সংখ্যা ৬৮ হাজার ৬১৭ জন এবং এই প্রকল্পে জেলাতে বেশি টাকা ক্লেইম করা হয়েছে। এদিন অনুষ্ঠানে জেলাশাসক পি উলগানাথন জানান, রাজ্য সরকার সব মানুষের চিকিৎসার সুবিধা দিতে এই স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প শুরু করেছে। তাই দ্রুত এই প্রকল্পের কার্ড গরিব মানুষের কাছে পৌঁছানো হচ্ছে। মানুষ প্রকল্পে নির্দিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি হলে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসার সুবিধা পাবেন। অনুষ্ঠানে মেটিয়াবুরুজের বিধায়ক আবদুল খালেক মোল্লা, মহেশতলার বিধায়ক দুলাল দাস, অতিরিক্ত জেলাশাসক (‌স্বাস্থ্য) সাগর চক্রবর্তী প্রমুখ বিশিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। মানুষের হাতে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড তুলে দেওয়ার পাশাপাশি হাসপাতাল ও নার্সিংহোমের নাম সংবলিত একটি বইও তুলে দেওয়া হয়। 

জনপ্রিয়

Back To Top