Train Derailment: জয়পুর থেকে বাড়ি ফিরছিলেন পরিযায়ী শ্রমিক, খোঁজ পেতে হন্যে হয়ে ঘুরছেন দাদা

আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ দেশে সংক্রমণ বাড়ছে। ভয়, পাছে ফের লকডাউন হয়। তাই রাজস্থানের বিভিন্ন জায়গা থেকে পরিযায়ী শ্রমিকরা আগেভাগেই ফিরছিলেন উত্তরবঙ্গে, নিজেদের ঘরে। সে কারণেই উঠেছিলেন সেই বিকানের–গুয়াহাটি এক্সপ্রেসে। তখনও জানতেন না, কপালে কী আছে। কাজ বন্ধের দুশ্চিন্তা ছিলই। কিন্তু এত বড় ধাক্কা আসবে, ভাবতেও পারেননি। কোভিডের বদলে জীবন কাড়বে দুর্ঘটনা, কে ভেবেছিল।
ময়নাগুড়িতে বৃহস্পতিবার বিকেলে লাইনচ্যুত সেই ট্রেন। মারা গেলেন ন’‌ জন। আহত বহু। এই মৃত আর আহতদের মধ্যে রয়েছেন বহু পরিযায়ী শ্রমিকও। যেমন জলপাইগুড়ির বচ্চন ওরাঁও। রাজস্থানে কাজ করতেন। নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন। ভাই মঙ্গল ওঁরাও খুঁজেই চলেছেন দাদাকে। সন্ধান পাননি। এস–৫ কামরার যাত্রী ছিলেন তিনি। 
খোঁজ নেই প্রদীপ বর্মনের ভাইয়েরও। ট্রেন থেকে নামার কয়েক ঘণ্টা আগে ফোনও করেছিলেন বাড়িতে।

বলেছিলেন, আর কিছুক্ষণ। তার পরই চলে আসবেন বাড়িতে। এর মধ্যেই দুর্ঘটনা। টিভিতে খবর দেখে প্রদীপ বাবু ফোন করেন ভাইকে। ছুটে যান ঘটনাস্থলে। কিন্তু কোনও খোঁজ মেলেনি ভাইয়ের। ময়নাগুড়ি হাসপাতালে চারটি দেহ দেখানো হয় তাঁকে। নাহ্‌, সেখানে নেই ভাই। থানাতেও দেখানো হয় দেহ। সেগুলোর একটিও নয় ভাইয়ের। ছোটেন জলপাইগুড়ি হাসপাতালে। সেখানেই খুঁজছেন ভাইকে। 

 

TMC-MP: কল্যাণ ব্যানার্জিকে ‘‌ঘর শত্রু বিভীষণ’‌ বলে খোঁচা এই সাংসদের, কেন?‌
আবার চোখের সামনে মৃত্যুকে দেখলেন অজিত বর্মন। এস–১০ কামরার যাত্রী তিনি। কোনওমতে বেঁচে ফিরলেন মৃত্যুর মুখ থেকে। এখনও আতঙ্কে রয়েছেন। কথা বলতে পারছেন না ঠিকমতো। গলা কাঁপছে। আবার হতাশ হয়ে পড়েছেন সহযাত্রীর মৃত্যুতে। 

আকর্ষণীয় খবর