আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ২০ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে এল ঘোলার চেয়ার কারখানার আগুন। সোমবার থেকে টানা কাজ করেছিল দমকলের ২৫টি ইঞ্জিন। রাতভর ঘটনাস্থলে ছিলেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুও। মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় বিধায়ক তথা অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, কারখানার নিখোঁজ পাঁচ শ্রমিকের সন্ধানে বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর, দমকল, কারখানার শ্রমিকদের একাংশ এবং প্রশাসনের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি দল গঠিত হয়েছে। দলটি ধ্বংসস্তুপের ভিতর ঢুকে অনুসন্ধান চালাবে। কারখানায় কেন অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা বা বেরবার কোনও আলাদা পথ ছিল না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দোষীদের কড়া শাস্তি হবে। নিখোঁজ শ্রমিকদের পরিবারকে শান্ত থাকার আবেদন করে তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অমিত মিত্র।

এমনকি ঘোলার যে ঘিঞ্জি এলাকায় কারখানাটি ছিল, সেখানে রাস্তা সংকীর্ণ এবং খারাপ থাকার যে অভিযোগ রয়েছে তার সমাধানে ইতিমধ্যেই অর্থ বরাদ্দ তিনি করে দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
হাজিরা খাতা থেকে জানা গিয়েছে সোমবার বেলা ১২টা নাগাদ যখন আগুন লেগেছিল তখন কারখানায় কাজ করছিলেন মোট ৬৯ জন শ্রমিক। তাঁদের মধ্যে ৬৪ জনকে উদ্ধার করা গিয়েছে। বাকি পাঁচজন নিখোঁজ। দমকলকর্মীরা বলেছেন, আগুনে বাড়ির একাংশ ধসে ধ্বংসস্তুপ এতটাই ভয়ানক চেহারা নিয়েছে যে তার তলায় কেউ চাপা পড়ে থাকলেও তাঁর পক্ষে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। কারখানার প্রধান মালিক ঘটনার পর থেকেই পলাতক। তার খোঁজ চলছে। মালিকপক্ষের দুই প্রতিনিধিকে ইতিমধ্যেই নিউ ব্যারাকপুর থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিস।  

জনপ্রিয়

Back To Top