আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‌একুশের ভোটের আগে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার পরিবেশকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিহারে যে পদ্ধতিতে সুষ্ঠভাবে নির্বাচন হয়েছে, বাংলাতেও সেভাবেই নির্বাচন করার কথা ভাবছে কমিশন। বুধবার রাত থেকে শুক্রবার পর্যন্ত দফায় দফায় বৈঠকের পর এদিন সাংবাদিকদে মুখোমুখি হয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা বলেন, ‘‌নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলায় কোনওরকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। ভোটের কাজে ব্যবহার করা যাবে না গ্রিন পুলিশ এবং সিভিক ভলান্টিয়ারদের। বাইক মিছিল করা যাবে না।’‌
কমিশনের দল রাজ্যে এসে দফায়-দফায় বৈঠক সেরেছেন পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে। সুষ্ঠভাবে ভোট করতে গেলে প্রথমেই আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। প্রয়োজনে আরও কড়া অবস্থান নিতে হবে প্রশাসনকে। রাজ্যের প্রশাসনিক ও পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে সেই বার্তাই দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা। জানিয়েছেন, ‘‌নির্বাচনের আগেই রাজ্যে চলে আসবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কিন্তু কেন্দ্রের হাতে এখন পর্যাপ্ত বাহিনী না থাকায় রাজ্য পুলিশের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়েই ভোটের কাজ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রত্যেকটি বুথে কড়া নজর রাখা হবে।’‌ এছাড়াও ভোটের টাকা লেনদেন এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর ঘটনা আটকাতে কড়া পদক্ষেপ করা হবে কমিশনের পক্ষ থেকে, জানান সুনীল অরোরা। 
কমিশনের কর্তাদের কাছে একাধিক নালিশ করেছে শাসকদল। রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে বিএসএফ নির্দিষ্ট একটি দলকে ভোট দিতে গ্রামবাসীদের উপর চাপ সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যদিও আজই তৃণমূলের সেই অভিযোগ বিবৃতি দিয়ে নস্যাৎ করেছে বিএসএফ। তৃণমূলের অভিযোগকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার৷ তিনি বলেন, ‘বিএসএফ দেশের অন্যতম সেরা বাহিনী৷ রাজনৈতিক যুদ্ধের ময়দানে তাদের টানা উচিত নয়। আমি এই অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণ চেয়েছি ওদের কাছে৷ তারা (বিএসএফ) দেশের অন্যতম সেরা বাহিনী।’‌

জনপ্রিয়

Back To Top