বুদ্ধদেব দাস, মেদিনীপুর: রাজ্যে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ জরুরি বলে দাবি করলেন বিজেপি–র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বললেন, সব ঘটনা কেন্দ্র সরকারকে জানানো হয়েছে। তারা যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেবে। বেশ কিছু নির্বাচিত গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য বিজেপি–তে যোগ দিলেন, তাই মঙ্গলবার ডেবরায় আসেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি নেত্রী প্রাক্তন আইপিএস ভারতী ঘোষ ও অন্তরা ভট্টাচার্য। 
তিনি সাংবাদিকদের জানান, এ রাজ্যে রাজনৈতিক কর্মী, সাধারণ মানুষ, রোগী, ডাক্তার কেউ সুরক্ষিত নন। রাজ্য সরকার সবদিকে ব্যর্থ। মমতা ব্যানার্জি সব থেকে অসফল মুখ্যমন্ত্রী। তিনি পুলিশ দিয়ে ভয় দেখিয়ে মানুষকে আটকানোর চেষ্টা করছেন আর তাই কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ জরুরি বলে দাবি বিজেপি–র রাজ্য সভাপতির।
‌এদিকে সন্দেশখালি থেকে স্বদেশ ভট্টাচার্য জানাচ্ছেন:‌ সন্দেশখালির ঘটনাকে জিইয়ে রাখতে চাইছে বিজেপি। দলের শীর্ষনেতারা যেভাবে এলাকায় গিয়ে শনিবারের ঘটনাকে নানাভাবে ব্যাখ্যা করছেন, তাতে গোটা মহকুমায় এ নিয়ে বিভ্রান্তি ও উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। মঙ্গলবার সন্দেশখালি হাটগাছি পঞ্চায়েতের ভাঙিপাড়া গ্রামে গিয়েছিলেন মুকুল রায়, শঙ্কুদেব পান্ডা। তাঁরা নিহত বিজেপি সমর্থক প্রদীপ মণ্ডল ও সুকান্ত মণ্ডলের বাড়িতে যান। এদিন ওই গ্রামে রাজ্য সরকারের একটি তন্দন্তকারী দল ঢুকতে গেলে বাধা দেয় বিজেপি সমর্থকরা। 
সন্দেশখালির তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার মাহাতো বলেন,‘‌অনেকদিন ধরেই ওই এলাকায় প্রচুর অস্ত্র মজুত করেছে বিজেপি। পাছে সেই সব প্রকাশ পায়, বেআইনি অস্ত্র উদ্ধার হয়, সে জন্য রাজ্যের তদন্তকারী দলকে ঢুকতে দিচ্ছে না।’‌ মুকুল রায় বলেন, ‘‌রাজ্য সরকারের পুলিশের ওপর কোনও আস্থা আমাদের নেই। ’‌ 
এদিন সন্দেশখালির হাটগাছি পঞ্চায়েতের কানমারি–সহ ভাঙিপাড়ায় জনজীবন ছিল স্বাভাবিক। দোকানপাটও খোলা ছিল। স্থানীয় মানুষ আর অশান্তি চাইছেন না। পুলিশ, রাজনৈতিক নেতা এবং মিডিয়ার জেরায় এলাকার মানুষ ক্লান্ত। ভাঙিপাড়া গ্রামে দেবদাস মণ্ডলের এখনও কোনও খোঁজ নেই। মঙ্গলবার সকালে বসিরহাট মহকুমায় ইন্টারনেট পরিষেবা সচল হয়েছে।

জনপ্রিয়

Back To Top