অপ্রমেয় দত্তগুপ্ত: আবার রাজপথ ঢাকতে চলেছে লাল পতাকায়। লং মার্চে অংশ নিতে চলেছে বামেরা। যাদের সাংগঠনিক শক্তি তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। হ্যাঁ, রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থার বিলগ্নিকরণের প্রতিবাদে এবং কর্মসংস্থানের দাবিতে একসঙ্গেই দীর্ঘ পথ হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাম ও কংগ্রেস। দু’‌জনেরই হাল প্রায় এক বাংলায়। জাতীয় রাজনীতির অলিন্দে কংগ্রেসের যেটুকু জায়গা রয়েছে তার এক–তৃতীয়াংশও নেই বামেদের। কিন্তু নাম দেওয়া হয়েছে ‘লং মার্চ’। অবশ্য দু’পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন বেঁধেছে দলের পতাকা রাখাকে কেন্দ্র করে। এই সমস্যা সমাধান করতেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র ও সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রকে হাল ধরতে হল।
দলীয় সূত্রে খবর, চিত্তরঞ্জন থেকে কলকাতা পর্যন্ত ২৮৩ কিলোমিটারের ‘লং মার্চ’ চলছে সিটু, আইএনটিইউসি, এইচএমএস–সহ কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলির ডাকে। বামেদের সব গণসংগঠন ওই পদযাত্রায় যোগ দিচ্ছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেনবাবুও বামেদের অনুরোধ মেনে তাঁর দলের সব সংগঠনকে পথের সঙ্গী হতে নির্দেশ দিয়েছেন। এখানে হয়তো দেখাতে চাইছে বামেরা, মানুষ আমাদের সঙ্গে আছে। যদিও সদ্য রাজ্যের তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচনে সবকটিতেই জামানত জব্দ হয়েছে বামেদের। 
এখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ‌এই পরিস্থিতিতে বাম–কংগ্রেসের এই আওয়াজ দিল্লি পর্যন্ত পৌঁছবে তো?‌ সবটাই নির্ভর করছে সাংগঠনিক পরিস্থিতির ওপর। যদি দলের সভ্য সমর্থকরা এখনও আশায় বুক বেঁধে দলের হয়ে সংগ্রামে পথে নামেন, তাহলেই লং মার্চ পৌঁছতে পারে অনেকদূর। তবে বাস্তবে সেই সম্ভবনা কতটা, তা হয়ত সময়ই বলবে। ইতিমধ্যে ফেসবুক মারফত রাজ্যের একাধিক অংশ থেেক বাম কর্মী সমর্থকের জড়ো হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। দলীয় পতাকা হাতে চিত্তরঞ্জনের পথে অনেকেই এসেছেন। জেলায় জেলায় চলেছে ছোট ছোট মিটিং ও প্রচার। ‌

জনপ্রিয়

Back To Top