আজকাল ওয়েবডেস্ক: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে টালমাটাল গোটা দেশ। দেশের সর্বত্র বাড়ছে কোভিড সংক্রমণের হার। আর করোনা রোগীদের চিকিৎসা পরিষেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে চিকিৎসকরা। দেশজুড়ে চলছে অক্সিজেনের সংকট। হাসপাতালগুলিতে মিলছে না করোনার টিকা। টিকা নিতে গিয়েও তা পাচ্ছেন না নাগরিকরা। ৪ মাস ধরে দেশজুড়ে চলছে টিকাকরণ কর্মসূচী। কোউইন অ্যাপের পরিসংখ্যান বলছে রাজ্যের মোট জনসংখ্যার মধ্যে ৩.৩ শতাংশ মানুষ এখনও পর্যন্ত করোনার টিকা পেয়েছেন। শুধমাত্র ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া গেছে ৮.৮ শতাংশ রাজ্যবাসীকে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, যে সমস্ত রাজ্যবাসীকে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া গেছে তাঁদের যদি টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া যায় তাহলে রাজ্যে কোভিড সংক্রমণের হার কিছুটা কমতে পারে। কোউইন অ্যাপের পরিসংখ্যান অনুযায়ী রাজ্যে মোট ১ কোটি ২১ লাখ ৯ হাজার ৯৯২ জনের শরীরে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়েছে। রাজ্যবাসীকে কোভিশিল্ড এবং কোভ্যাক্সিন ২ ধরণের টিকাই প্রয়োগ করা হয়েছে। কোউইন অ্যাপের পরিসংখ্যান অনুযায়ী কলকাতার নাগরিকদের মধ্যেই সবচেয়ে বেশি টিকা প্রয়োগ করা হয়েছে। কলকাতার সন্নিহিত জেলা উত্তর ২৪ পরগণা জেলায় ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫৬৮ জনের শরীরে ভ্যাকসিনের দুটি ডোজই প্রয়োগ করা হয়েছে। কলকাতার সন্নিহিত আরেক জেলা হাওড়ায় করোনা ভ্যাকসিনের দুটি ডোজই প্রয়োগ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫৪৩ জনের শরীরে। এর পাশাপাশি আজ থেকে গনপরিবহণের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। রাজ্যের তরফে বারবার মানুষকে টিকা দেওয়ার ব্যাপারে জোর দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যের তরফে ভ্যাকসিনের আকাল নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে। কেন্দ্রের কাছে ৩ কোটি ভ্যাকসিন চাওয়া হলেও কেন্দ্র তা পাঠাচ্ছে না।

জনপ্রিয়

Back To Top