সোহম সেনগুপ্ত- রাজ্যের পাশাপাশি গোটা দেশে লকডাউন চললেও পাল্টায়নি দত্তপুকুরের পাইকারি হাটের ছবি। বুধবারও কয়েক হাজার মানুষের ভিড় হয় এখানে। কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে প্রশাসনও। বারাসতের মহকুমা শাসক তাপস বিশ্বাস জানান, মানুষকে সচেতন করার জন্য পাকাপাকিভাবে ওই হাটে মাইকিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি নিজেও পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখেছেন।
বারাসত হরিতলা মোড় সংলগ্ন বড়বাজারেও প্রত্যেক দিনই সকালে বসছে পাইকারি বাজার। ভিড়ও জমছে। করোনা ভাইরাসের প্রকোপ দিনে দিনে বাড়লেও এখনও এই দুই বাজারে যাওয়া ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ভিড় জমায় আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ। এদিকে, এই পরিস্থিতিতে বারাসত জেলা পুলিশের হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করলেই একটি খাদ্য সরবরাহকারী সংস্থা প্রবীণ নাগরিকদের চাহিদামতো খাবার, ওষুধ বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেবে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে ওই সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বুধবার কথা বলেন বারাসত থানার আইসি দীপঙ্কর ভট্টাচার্য।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top