প্রিয়দর্শী বন্দ্যোপাধ্যায়- করোনা থেকে বাঁচতে জমায়েতের ওপর রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। পাশাপাশি থাকলে, মিটারখানেক দূরত্ব রাখতে বলা হয়েছে। সেখানে ৭০ সিটের এক–একটি বাসে উঠল ৩০০–৪০০ লোক। বলা বাহুল্য, বাসে দাঁড়ানো তো দূরের কথা, বাসের ছাদে পর্যন্ত তিলধারণের জায়গা ছিল না। সোমবার এ পরিস্থিতি দেখা দেয় হাওড়া স্টেশন সংলগ্ন বাস স্ট্যান্ডে। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে ২ বয়স্ক মানুষ অসুস্থ হয়ে যায়। পুলিশের উদ্যোগে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
রবিবার রাত থেকে ছবিটা ছিল এমনই। রাতে দূরপাল্লার ট্রেন থেকে নামা ভিনরাজ্যে কর্মরত বহু মানুষ বাড়ি ফেরার জন্য উৎকণ্ঠায় এদিক–ওদিক ঘোরাঘুরি করতে থাকেন বাস স্ট্যান্ডে। হাজার হাজার মানুষ থাকলেও, সোমবার সকাল থেকে বাসের সংখ্যা ছিল যথেষ্ট কম। হাওড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে স্থানীয় রুটে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল আগেই। সকালের দিকে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের বিভিন্ন এলাকায় বাস ছেড়ে যায় সেখান থেকে। তবুও ছিল তুমুল জমায়েত। ঝোপ বুঝে কোপ মারেন বাসচালকরাও। যেখানে ৩ থেকে ৪ হাজার যাত্রী দাঁড়িয়ে, সেখানে মাত্র ৫ থেকে ৬টি বাস এদিন হাওড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে থেকে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের বিভিন্ন রুটে ছেড়ে যায়। স্বাভাবিকভাবে ৮০ থেকে ১০০ টাকার ভাড়া এদিন ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত নিয়েছে এক–একটি বাস। তবে যাত্রীর তুলনায় বাস এতই কম ছিল যে, বেশিরভাগ যাত্রী সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করেও বাসে জায়গা পাননি।

জনপ্রিয়

Back To Top