যজ্ঞেশ্বর জানা, হলদিয়া: হলদিয়ার করোনা–সংক্রামিত বন্দরকর্মীর গ্রামের মানুষের সঙ্গে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পড়শি ৩ গ্রামের রাস্তায় বাঁশের ব্যারিকেড দিলেন বাসিন্দারা। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে গ্রামবাসীদের এমন সচেতনতায় খুশি প্রশাসনের কর্তারা। নিজামুদ্দিন–ফেরত হলদিয়ার একটি বেসরকারি ক্রেন অপারেটিং সংস্থার সুপারভাইসরের শরীরে করোনার অস্তিত্ব মিলেছে। হায়দরাবাদের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি থাকতেন হলদিয়ার দেভোগ গ্রাম পঞ্চায়েতের দেভোগ গ্রামের একটি আবাসনে। শুক্রবার তাঁর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসায় উদ্বেগ ছড়ায় গোটা পঞ্চায়েত এলাকায়। 
শনিবার দেভোগ গ্রামের মানুষের প্রবেশ রুখতে গ্রামের রাস্তায় ব্যারিকেড বসিয়েছেন পড়শি শোলাট, বড়বাড়ি ও গেঁওডাবের গ্রামবাসীরা। শুধু ব্যারিকেড দেওয়াই নয়, বহিরাগতদের প্রবেশের ওপর কড়া নজরদারি শুরু করেছেন তাঁরা। লকডাউনের জেরে দেভোগ এলাকার বাসিন্দারা গৃহবন্দি। কিন্তু এর মধ্যেই কিছু মানুষ পাশের গ্রামগুলিতে ঢুকে পড়ছেন। এদিক–ওদিক ঘোরাঘুরিও করছেন। স্বাভাবিকভাবে এই পরিস্থিতিতে দেভোগের বাসিন্দাদের আসা–যাওয়ায় লাগাম দিতে প্রতিবেশী তিন গ্রামের রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে বার্তা দেওয়া হয়েছে সামাজিক দূরত্ব পালনের। দেভোগ পঞ্চায়েতের প্রধান হৃষীকেশ মাজি বলেন, ‘‌পঞ্চায়েতের তরফে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার পরেও সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছিল না। কিছু মানুষ অপ্রয়োজনে প্রতিদিনই বাড়ির বাইরে বেরোচ্ছিলেন। কিন্তু দেভোগ গ্রামের আবাসনে থাকা এক বন্দরকর্মীর শরীরে করোনা ধরা পড়ার পরই গ্রামবাসীরা নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে ওই গ্রামে প্রবেশের ৩টি রাস্তা আটকে দিয়েছেন।’‌

জনপ্রিয়

Back To Top