আজকালের প্রতিবেদন- বাড়ি থেকে বেরিয়ে অসহ্য রোদের মধ্যে অফিস যাওয়া। সেখানে গিয়েই এসির মধ্যে থেকে কাজ করা। ফের অস্বস্তিকর গরমে নাজেহাল হয়ে বাড়ি ফেরা। ফ্রিজের জল খেয়ে কিংবা রাস্তাঘাটে ঠান্ডা পানীয়তে চুমুক দিয়ে গরম থেকে সাময়িকভাবে স্বস্তি মিললেও শরীরের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনছে। কমবেশি সব ঘরেই এখন জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথায় জেরবার। ঘরে বাইরে ঠান্ডা গরমে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপরেও প্রভাব পড়ে। বাসে ট্রেনে কারও সর্দি কাশি হলে তার হাঁচি–কাশি থেকে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ছে। 
এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জেনারেল মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ কেশব সিংহরায় বলেন, ‘‌একদিকে আবহাওয়ায় আর্দ্রতা বেশি তার ওপর রোদের খুব তাপ। এইরকম পরিস্থিতিতে ভাইরাস বেশি আক্রমণ করে। ভাইরাল ফিভার, সর্দি, কাশিতে আক্রান্ত বেশি পাচ্ছি। চিকিৎসায় সুস্থ হয়েও যাচ্ছেন। প্যারাসিটামল, ওআরএস দেওয়া, বেশি করে জল, সরবত খাওয়া, স্নান করার পরামর্শ দিচ্ছি। বাইরের খাবার মোটেই চলবে না। খুব ভাল করে বর্ষা না পড়া পর্যন্ত এরকম চলবে।’‌ 
 কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ রাজা ভট্টাচার্য বলেন, ‘এখন মাম্পস ভাইরাস, ফুসফুসে সংক্রমণ, শ্বাসনালিতে সংক্রমণ, ডায়েরিয়া, পাকস্থলীর সংক্রমণ বা গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিস আক্রান্ত রোগী পাচ্ছি। এছাড়াও সাধারণ জ্বর, সর্দি, কাশি তো রয়েইছে। কেউ কেউ আবার একই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ডায়েরিয়া এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছেন। এইরকম পরিস্থিতিতে প্রচণ্ড রোদে বাইরে না বেরোনোই ভাল। ঘন ঘন এসি– নন এসি না করাই উচিত। জরুরি কাজকর্মগুলো যতটা সম্ভব সকালের মধ্যে সেরে ফেললেই ভাল। অবশ্যই বেশি করে জল, ফল খেতে হবে, তবে বাইরের নয়।’‌ দিনে প্রখর তাপে কারও শরীর গরম হলেও ঘামছেন না। আবার বিকেলের দিকে কেউ কেউ এতটাই ঘেমে যাচ্ছেন যে জামাকাপড় ভিজে স্নান করার মতো অবস্থা। এই অবস্থায় বেশি শরীর খারাপ হচ্ছে।‌

জনপ্রিয়

Back To Top