আজকালের প্রতিবেদন: আবর্জনা সাফাইয়ে আধুনিক নয়া ব্যবস্থা চালু করতে চলেছে বিধাননগর পুরনিগম। উৎসেই আবর্জনা পৃথকীকরণ করা হবে। এর জন্য বাড়িতে বাড়িতে সবুজ ও নীল, এই দুই ধরনের ‘‌বিন’‌ দেবেন পুরকর্তৃপক্ষ। বাড়িতে জমা বর্জ্য আলাদা করে এই বিনগুলিতে রাখতে হবে বাসিন্দাদের। সাফাইকর্মীরা বাড়িতে এসে আবর্জনা সংগ্রহ করে নিয়ে যাবেন। জানা গেছে, রাজ্য সরকারের নির্মল বাংলা প্রকল্পে নয়া এই ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। শুধু উৎসেই জঞ্জাল বিভাজন নয়, বিজ্ঞানসম্মত জঞ্জাল প্রক্রিয়াকরণ এবং বর্জ্য হ্রাস, পুনর্ব্যবহার ও পুনর্নবীকরণ–‌ও এই প্রকল্পের লক্ষ্য। বুধবার, নিউ টাউনে বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট নিয়ে বিভিন্ন পুরসভার প্রতিনিধিদের জন্য কর্মশালার আয়োজন করেছিল রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। ছিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। নয়া ব্যবস্থা নিয়ে বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী বলেন, ‘‌পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন এবং দূষণমুক্ত রাখতে রাজ্য সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। বিধাননগরকে সবুজ ও পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা এগোচ্ছি। ১০টি ওয়ার্ডে পাইলট প্রকল্প হিসেবে নতুন ব্যবস্থা চালু হবে।’‌ বিধাননগর পুরনিগম সূত্রে খবর, ২৯, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪, ৩৭, ৩৯, ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে পাইলট প্রকল্প চালু হচ্ছে। এই ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দারা রান্নাঘরের বর্জ্য অর্থাৎ জৈব বর্জ্য রাখবেন সবুজ বিনে। এই বিনের বর্জ্য প্রতিদিন বাড়িতে এসে সংগ্রহ করে নিয়ে যাবেন সাফাইকর্মীরা। অন্যদিকে, প্লাস্টিক, জলের বোতল–‌সহ পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য বাসিন্দাদের রাখতে হবে নীল রঙের বিনে। এছাড়া চিকিৎসা বর্জ্য একটি প্যাকেটে জমিয়ে রাখতে হবে বাসিন্দাদের। পাইলট প্রকল্প চালুর আগে আবাসন, হাসপাতাল, স্কুল, হোটেল, ‌পানশালা–‌সহ বিভিন্ন প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করছেন পুরকর্তারা। শুক্রবার পাইলট প্রোজেক্টের অন্তর্ভুক্ত ১০টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের বৈঠকে ডাকা হয়েছে।‌‌‌

সল্টলেকে সেন্ট্রাল পার্ক। ফাইল ছবি

জনপ্রিয়

Back To Top